আজকাল ওয়েবডেস্ক: রোজকার মত বেরিয়েছিলেন তরুণী ছাত্রী। এরপর আচমকা নিখোঁজ হন। নিখোঁজ হওয়ার দু’দিন পর জঙ্গল থেকে উদ্ধার এক ফিজিওথেরাপি ছাত্রীর নিথর দেহ। শনিবার সকালে একটি গাছের ডালে তাঁর দেহ ঝুলতে দেখে পুলিশে খবর দেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতার নাম রভিনা (২২)। তিনি মুজফফরনগরের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিজিওথেরাপি পড়তেন এবং সাহারানপুরের একটি ক্লিনিকে কাজ করতেন। পরে মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়ে খুনের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২২ জানুয়ারি রোজকার মতোই কাজে বেরিয়েছিলেন রভিনা। কিন্তু সন্ধ্যা পার হলেও তিনি বাড়ি না ফেরায় দুশ্চিন্তা শুরু হয় পরিবারের সদস্যদের। তাঁর কর্মস্থলে যোগাযোগ করে পরিজনরা জানতে পারেন, বিকেল বেলাতেই তিনি ক্লিনিক থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। আত্মীয়স্বজন এবং পরিচিতদের বাড়িতে তন্নতন্ন করে খুঁজেও সন্ধান না মেলায় শুক্রবার সন্ধ্যায় থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।

শনিবার সকালে দিওয়ালহেড়ি রোডের ধারের একটি জঙ্গলে রভিনার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ও পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহটি শনাক্ত করেন। দেওবন্দের সার্কেল অফিসার অভিতেশ সিং জানান, "প্রাথমিক ভাবে এটি আত্মহত্যার ঘটনা বলে মনে হচ্ছে। তবে খুনের প্রসঙ্গও আমরা একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছি না। এই মুহূর্তে সব দিক খোলা রেখেই তদন্ত চলছে।"

তদন্তের স্বার্থে মৃতার মোবাইল ফোনটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। রভিনা শেষবার কার সঙ্গে কথা বলেছিলেন এবং তাঁর টাওয়ার লোকেশন কোথায় ছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

অন্যদিকে, সাতসকালে সহকর্মীর সঙ্গে জলখাবার খেতে বসেছিলেন ২৮ বছরের তরুণ শ্যাম পাঞ্চাল। কিন্তু সেই খাবারই যে তাঁর জীবনের শেষ খাওয়া হবে, তা কল্পনাও করতে পারেননি কেউ। সামান্য এক ঘটনার জেরে সহকর্মীর হাতেই খুন হতে হলো তাঁকে। ঘটনাটি ঘটেছে তেলঙ্গানার কোল্লুর এলাকার একটি বেসরকারি আবাসন চত্বরে।

পুলিশ জানিয়েছে, গত ১৯ জানুয়ারি সকালে অতুল সাহানি নামে এক সহকর্মীর সঙ্গে প্রাতরাশ সারছিলেন শ্যাম। অভিযোগ, খাওয়ার মাঝেই আচমকা অতুলের থালায় হাত ধুয়ে ফেলেন তিনি। এই সামান্য বিষয় নিয়েই দুই বন্ধুর মধ্যে শুরু হয় তীব্র কথা কাটাকাটি। বিবাদ চরমে পৌঁছালে মেজাজ হারিয়ে অতুলের মাথায় সজোরে আঘাত করেন শ্যাম।

গুরুতর চোট পেয়ে ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন তিনি। মৃত্যু হয় তাঁর। মঙ্গলবার আবাসন চত্বরের একটি ঘর থেকে শ্যামের দেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু হয়েছে।