আজকাল ওয়েবডেস্ক: ধুমধাম বিয়ের আয়োজন। বিয়ের রীতি রেওয়াজের মাঝেই দেদার উদযাপনের মেতেছিলেন সকলে। আচমকাই ছন্দপতন। কারণ? পাত্রপক্ষ চেয়েছিল পাঁঠার মাংস। বদলে খাবারের পাতে পরিবেশন করা হয় মুরগির মাংস। এই ঘটনা ঘিরেই বিয়েবাড়িতে হুলস্থুল কাণ্ড। দুই পক্ষের হাতাহাতি দেখেই রীতিমতো চক্ষু চড়কগাছ সকলের। 

 

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের সহরসা জেলার রাজানপুর গ্রামে। সূত্রের খবর, পাত্রীর পরিবারের তরফে পাত্রপক্ষকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, বিয়ের দিন পাঁঠার মাংস থাকবে মধ্যাহ্নভোজের মেনুতে। কিন্তু খেতে বসেই চোখ ছানাবড়া পাত্রপক্ষের। পাঁঠার মাংসের পরিবর্তে মুরগির মাংস পরিবেশন করা হয় তাঁদের। ঘা ঘিরে পাত্র ও পাত্রীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তুমুল ঝগড়া, হাতাহাতি, মারপিট শুরু হয়। একজনকে ধারালো তলোয়ার নিয়েও মারতে তেড়ে আসতে দেখা গিয়েছে। যে ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে ঝড়ের গতিতে। 

">

 

পাত্রপক্ষের অভিযোগ, বিয়ের আগেই খাবারের মেনু নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। পাত্রীর বাবা জানিয়েছিলেন, মধ্যাহ্নভোজের মেনুতে পাঁঠার মাংস থাকবে। কিন্তু বিয়ের দিন খেতে বসেই সকলে চমকে যান। পাঁঠার মাংসের পরিবর্তে মুরগির মাংস পরিবেশন করা হয়। যা ঘিরে দুই পক্ষের মধ্যে সামান্য কথা কাটাকাটি হয়েছিল। 

 

ক্রমেই তুমুল ঝামেলা শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, শুরুতে হাতাহাতি হলেও খানিকক্ষণ পরেই মারপিট শুরু হয়। একে অপরের দিকে চেয়ার, টেবিল ছুড়ে মারেন। চড়, কিল, ঘুষি চলতে থাকে একের পর এক। এর জেরে বিয়েবাড়িতে মোট ১২ জন আহত হয়েছেন। বর্তমানে তাঁরা সকলেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। 

 

পাত্রপক্ষ জানিয়েছেন, তাঁদের পরিবারে অন্ততপক্ষে সাতজন গুরুতর আহত হয়েছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে পাত্র ও পাত্রীর পরিবার। হুলস্থুল কাণ্ডের খবর পেয়ে আগেই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছিল পুলিশ। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে তারা।