আজকাল ওয়েবডেস্ক: অজিত পাওয়ারের শেষকৃত্য সম্পন্ন হল বারামতীর বিদ্যা প্রতিষ্ঠান মাঠে। পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায়। শেষকৃত্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ থেকে শরদ পাওয়ার, নীতীন গড়কড়ি সহ অনেকেই।
এদিকে, জানা গেছে বুধবার সকালে বারামতীতে অজিত পাওয়ারের বিমান ভেঙে পড়ার ঠিক আগে ককপিট থেকে ভেসে এসেছিল দু’টি শব্দ। বিমান দুর্ঘটনার তদন্তে নেমে প্রাথমিকভাবে এমনটাই জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। দুই বিমানকর্মী (একজন পাইলট, অপর জন ফার্স্ট অফিসার)–র মধ্যে কোনও একজন চিৎকার করে বলে উঠেছিলেন, ‘ওহ শিট’!
বুধবার বিকেল থেকেই একাধিক সূত্র মারফত খবর আসছিল যে, দুর্ঘটনার ঠিক আগের মুহূর্তে ককপিট থেকে দু’টি শব্দ ভেসে এসেছিল। বৃহস্পতিবার দেশের উড়ান নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিজিসিএ–র এক আধিকারিক এই খবরটি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে, বৃহস্পতিবারই বিমানটির ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার করা হয়েছে। ব্ল্যাক বক্সেই বিমানের সমস্ত ডেটা রেকর্ড থাকে। রেকর্ড থাকে ককপিটের কথোপকথন। ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার হওয়ার পর তা খতিয়ে দেখবেন তদন্তকারীরা। সেটি পরীক্ষা করার পর দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, দুর্ঘটনার সময় বারামতী বিমানবন্দর এবং সংলগ্ন এলাকায় ঘন কুয়াশা ছিল। ফলে দৃশ্যমানতাও কম ছিল। সেই কারণে দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। বুধবার দৃশ্যমানতা কম থাকার কথা জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহনমন্ত্রী কে রামমোহন নায়ডুও। তিনি জানিয়েছিলেন, ‘ডিজিসিএ এবং এএআইবি (বিমান দুর্ঘটনার তদন্তকারী সংস্থা) দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, বিমানটি অবতরণ করার সময় দৃশ্যমানতা কম ছিল।’
বিমানমন্ত্রী জানান, প্রথমবার অবতরণ করার সময় এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল (এটিসি)–এর তরফে বিমানটির পাইলটকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, রানওয়ে দেখা যাচ্ছে কি না। জবাবে পাইলটের তরফে নেতিবাচক উত্তর আসে। বিমানটি আর এক চক্কর কেটে দ্বিতীয়বার অবতরণ করার চেষ্টা করে। মন্ত্রী জানিয়েছেন, দ্বিতীয়বার একই প্রশ্নের উত্তরে ইতিবাচক উত্তর দিয়েছিলেন পাইলট। তারপরেই বিমানটিকে অবতরণ করার অনুমতি দেওয়া হয়। দ্বিতীয়বারের চেষ্টায় অবতরণ করার সময়েই ভেঙে পড়ে বিমানটি। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার উদ্ধার হল ব্ল্যাক বক্স। এখন দেখার দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যায় কিনা।
