উত্তরপ্রদেশের কানপুর দেহাত জেলার আকবরপুর থেকে একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে, যা সমাজমাধ্যমে ঝড়ের গতিতে ভাইরাল। এক ব্যক্তি তাঁর শাশুড়িকে বিয়ে করেছেন, তাও আবার দীর্ঘ চার বছরের গোপন সম্পর্কের পর। এই বিতর্কিত ঘটনাটি ঘিরেই এখন নেটপাড়ায় জোর চর্চা চলছে।

জানা যাচ্ছে, ওই ব্যক্তি এবং তাঁর শাশুড়ি দীর্ঘ সময় ধরে একে অপরের প্রেমে মজে ছিলেন। পরিবারের অগোচরেই ছিল তাঁদের এই সম্পর্ক। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, তাঁরা বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গিয়ে আদালতে রেজিস্ট্রি সেরে ফেলেন। বিয়ের পর তাঁরা সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিও শেয়ার করেন, যেখানে তাঁদের গলায় মালা এবং হাতে বিয়ের শংসাপত্র দেখা গিয়েছে। ভিডিওতে দু'জনেই দাবি করেছেন, তাঁরা পারস্পরিক সম্মতিতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। জানা যাচ্ছে, তাঁরা নাকি বিয়ের পর তড়িঘড়ি হানিমুনেও পাড়ি দিয়েছেন!

সমাজমাধ্যমে এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই নেটিজেনদের মধ্যে নিন্দার ঝড় উঠেছে। অনেকে এই সম্পর্ককে 'লজ্জাজনক' ও 'সামাজিক অবক্ষয়' বলে অভিহিত করেছেন। ভিডিওটি এখন সমাজমাধ্যমে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছে এবং নেটিজেনদের সমালোচনার মুখে পড়েছে এই নবদম্পতি। 

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে বিহারে একটি অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছিল, যেখানে স্ত্রী মারা যাওয়ার পর এক ব্যক্তি তাঁর শাশুড়ির প্রেমে পড়েন। স্ত্রী বিয়োগের পর ৪৫ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি তাঁর শ্বশুরবাড়িতেই থাকতে শুরু করেন। সেই সময়েই ৫৫ বছর বয়সী শাশুড়ি গীতা দেবীর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে। একদিন ওই ব্যক্তির শ্বশুর তাঁদের দু'জনকে আপত্তিকর অবস্থায় হাতেনাতে ধরে ফেলেন। এরপরেই পুরো গ্রামের সামনে ওই ব্যক্তি নিজের প্রেমের কথা স্বীকার করেন এবং শেষ পর্যন্ত শাশুড়িকেই বিয়ে করেন।