আজকাল ওয়েবডেস্ক: পরীক্ষার উত্তরপত্র খুলতেই চোখ ছানাবড়া শিক্ষকের। কারণ? উত্তরপত্রে, প্রশ্নের উত্তরের বদলে গুঁজে রাখা ছিল ৫০০ টাকার নোট! বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়, স্রেফ পাশ করার অনুরোধ জানিয়ে শিক্ষককে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা করেছে এক পড়ুয়া। 

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, দিন কয়েক আগেই ঝাড়খণ্ডের বোর্ড পরীক্ষা শেষ হয়েছে। ফলাফল ঘোষণা করা হবে আর কিছু দিন পরেই। উত্তরপত্র খুঁটিনাটি দেখার কাজ চালাচ্ছেন শিক্ষকরা। এই আবহে অদ্ভুত অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হলেন এক শিক্ষক। 

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই উত্তরপত্রের ছবিটিও তিনি শেয়ার করেছেন। দেখা গেছে, উত্তরপত্র প্রায় ফাঁকা। কিছুই সেভাবে লেখেনি ওই পড়ুয়া। কিন্তু উত্তরপত্রের দুই পৃষ্ঠার মাঝেই ৫০০ টাকার নোট গুঁজে রেখেছিল। পাশ করানোর জন্যেই এহেন কীর্তি সে ঘটিয়েছে, তা বুঝতে অসুবিধা হয়নি ওই শিক্ষকের। 

যদিও ওই শিক্ষক জানিয়েছেন, উত্তর না থাকায়, শূন্যই পেয়েছে ওই পরীক্ষার্থী। জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছে পালামু জেলার এক সেন্টার। সংস্কৃত পরীক্ষার উত্তরপত্রেই ৫০০ টাকার নোট উদ্ধার করেন ওই শিক্ষক।‌

গত বছর এপ্রিল মাসে এমন ঘটনার স্বাক্ষী ছিলেন কর্ণাটকের কয়েকজন শিক্ষক। পরীক্ষার উত্তরপত্রগুলি খুলতেই চমকে উঠেছিলেন শিক্ষকেরা। একাধিক উত্তরপত্রের মধ্যে থেকে চিরকুট, ২০০, ৫০০ টাকার নোট উদ্ধার হয়েছিল। পাশ করানোর অনুরোধ জানিয়ে আরও ঘুষ দেওয়ার কথাও লেখা ছিল তাতে।

কর্ণাটকের দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষার পরেই এমন অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হন বহু শিক্ষক। বেলগাভি জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শিক্ষকেরা জানিয়েছিলেন, একাধিক উত্তরপত্র তাঁদের কাছে রয়েছে, যেখানে পরীক্ষার্থীরা পাশ করিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করেছে। কেউ লিখেছিল, "আমার ভবিষ্যৎ আপনার হাতে!" আরেকজন লিখেছিল, "পাশ করিয়ে দিন, আরও টাকা দেব।' 

শিক্ষকেরা জানিয়েছিলেন, এক পরীক্ষার্থী আবার অনুরোধ করেছিল, ভালবাসার সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য পাশ করা জরুরি। এই দায়িত্ব শিক্ষকের হাতেই। বেলাগাভির এক পরীক্ষক জানিয়েছিলেন, "উত্তরপত্র খুলতেই দেখি ৫০০ টাকার একটি নোট গুঁজে রাখা রয়েছে। তাতে একটি চিরকুট ছিল। লেখা ছিল, এবার পরীক্ষায় পাশ করলে, সম্পর্ক টিকে যাবে।'