আজকাল ওয়েবডেস্ক: দানিশের পর আরও এক। ভারতে পাক হাই কমিশনের আরও এক আধিকারিককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করল ভারত। ওই আধিকারিককে সময় দেওয়া হয়েছে ২৪ ঘণ্টা। তার মধ্যেই ছাড়তে হবে ভারত। সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর তেমনটাই। সূত্রের খবর, বুধবার বিদেশ মন্ত্রক বিবৃতি জারি করে এই তথ্য জানিয়েছে। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, সতর্ক করা হয়েছে পাক হাই কমিশনের ভারপ্রাপ্ত আধিকারিককেও। সতর্ক করে বলা হয়েছে, তাঁকে নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে যে ভারতে নিযুক্ত কোনও পাকিস্তানি কূটনীতিক বা কর্মকর্তা তাদের সুযোগ-সুবিধা এবং মর্যাদার অপব্যবহার করবেন না।
ভারতের তথ্য তুলে দিয়েছিলেন পাকিস্তানের হাতে। দিনের পর দিন। ঘনিষ্ঠতা ছিল পাক হাই কমিশনের আধিকারিক দানিশের সঙ্গে। জ্যোতি মালহোত্রার গ্রেপ্তারির পরে দানিশকে ঘিরে দিনে দিনে উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। সম্প্রতি দানিশকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে ভারত। তার পরেই পাক হাই কমিশনের আরও এক আধিকারিককে। যদিও তাঁর নাম প্রকাশ্যে আসেনি।
গত সপ্তাহে জ্যোতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পাকিস্তানে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে তদন্ত চালাচ্ছে এনআইএ ও আইবি। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, জ্যোতির চারটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। সূত্রের খবর, জেরায় জ্যোতি স্বীকার করেছেন, পাকিস্তানের আইএসআই এজেন্টদের সঙ্গে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। দেশ-বিরোধী তথ্য তিনি পাচার করেছিলেন। হোয়াটসঅ্যাপ, স্ন্যাপচ্যাট, টেলিগ্রামের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখতেন তিনি।
সূত্রের খবর, জ্যোতি আরও জানিয়েছেন, দিল্লিতে পাকিস্তান হাইকমিশনের আধিকারিক দানিশের সঙ্গে বহুবার তিনি দেখা করেছেন এবং ফোনে যোগাযোগ ছিল। দানিশ আলির সঙ্গে আলাপ করিয়ে দিয়েছিলেন। আলিই জ্যোতিকে পাকিস্তানে থাকার ও ঘোরার ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর আধিকারিকদের সঙ্গেও জ্যোতিকে আলাপ করিয়েছিলেন আলি।
















