আজকাল ওয়েবডেস্ক: বাতিল হচ্ছে একের পর এক। সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমগুলির কোনওটির মতে বাতিল বিমানের সংখ্যা প্রায় ৫০। কোনও মাধ্যমের মতে সংখ্যা প্রায় একশ। সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর,  প্রযুক্তিগত সমস্যা, বিমানবন্দরে যানজট এবং পরিচালনাগত প্রয়োজনীয়তার কারণে ইন্ডিগোতে ব্যাপক সমস্যা বুধবার বিকেল থেকে, তেমনটাই জানিয়েছে সংস্থা। ইন্ডিগোর বহু বিমান বাতিল। বহু বিমান চলছে অনেক দেরীতে। ফলে চরম ভোগান্তি যাত্রীদের।

 

তবে কেন এই চরম সংকট? এই প্রশ্নের উত্তরে অপর এক সূতে খবর, এই চরম বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ কর্মী সংকট। ওই বিমান সংস্থা নাকি এই মুহূর্তে প্রবল কর্মী সংকটে রয়েছে। ফলে বেশিরভাগ বিমানই সংস্থা আর সময়ে চালাতে পারছে না। 

বুধবার, দিল্লি, মুম্বাই, হায়দরাবাদ, বেঙ্গালুরু-সহ একাধিক বিমানবন্দরে বিকেল পর্যন্ত প্রায় ২০০টি ফ্লাইট বাতিলের খবর পাওয়া গিয়েছে বলে একটি সূত্রের  খবর। সংবাদ সংস্থা পিটিআই-এর তথ্য, দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কমপক্ষে ৩৩টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে, যেখানে মুম্বাইয়ের ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৫১টিরও বেশি বিমান বাতিল করা হয়েছে। অন্যদিকে হায়দ্রাবাদে ইন্ডিগোর ১৯টি বাতিল, যেগুলির উড়ান কিংবা পৌঁছনোর কথা ছিল, বাতিল হয়েছে সেগুলিও। বেঙ্গালুরুর কেম্পেগৌড়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও বিমান চলাচলে বিঘ্ন ঘটেছে। বুধবার কমপক্ষে ৪২টি অভ্যন্তরীণ বিমান বাতিল করা হয়েছে, যার মধ্যে ২২টি বিমানের বিমান বন্দরে পৌঁছনোর কথা ছিল এবং ২০টি বিমানের উড়ান শুরু করার কথা ছিল। 

সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর,  এক বিবৃতিতে, বিমান সংস্থাটি স্বীকার করেছে যে, 'গত দু' দিন ধরে নেটওয়ার্ক জুড়ে তাদের কার্যক্রম উল্লেখযোগ্যভাবে ব্যাহত হয়েছে।' বিমানের কার্যক্রম স্থিতিশীল করার জন্য, বিমান সংস্থাটি জানিয়েছে যে, তারা তাদের বিমানেরর সময়সূচীতে কিছু পরিবর্তন আনা শুরু করেছে, যা আগামী ৪৮ ঘন্টার জন্য অস্থায়ীভাবে কার্যকর থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই পরিবর্তনগুলি সময়ানুবর্তিতা পুনরুদ্ধার করতে এবং আরও বিঘ্ন কমাতে সহায়তা করবে।


ইন্ডিগো যাত্রীদের বিমানবন্দরে যাওয়ার আগে অনলাইনে ফ্লাইটের অবস্থা পরীক্ষা করার জন্য অনুরোধ করেছে।