আজকাল ওয়েবডেস্ক: ২০২৬ সালের ইউজি নিট পরীক্ষা বাতিলের রেশ কাটেনি। এর মধ্যেই এবার নিজেদের ব্যর্থতা মেনে নিল কেন্দ্র। রাধাকৃষ্ণন কমিটির একগুচ্ছ সুপারিশ থাকা সত্ত্বেও কেন এই প্রশ্ন ফাঁস আটকানো গেল না, তা নিয়ে শুক্রবার দায় স্বীকার করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।
স্পষ্ট জানালেন, গোটা ব্যবস্থায় ফাঁক ছিল। মেধাবী পড়ুয়াদের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখেই যে পরীক্ষা বাতিলের এই ‘কঠিন’ সিদ্ধান্ত, তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি।
২০২৪-এর কেলেঙ্কারির পর ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান কে রাধাকৃষ্ণনের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছিল। পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতে তাঁরা ৯৫টি প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু কাজের কাজ যে বিশেষ হয়নি, গত ৩ মে-র পরীক্ষা বাতিলই তার প্রমাণ। আগামী ২১ জুন ফের ওই পরীক্ষা হওয়ার কথা।
এ দিন সাংবাদিক বৈঠকে প্রশ্ন ওঠে এনটিএ-র অন্দরের যোগসাজশ নিয়ে। মন্ত্রী বলেন, “গোটা বিষয়টি সিবিআই তদন্ত করে দেখবে। এনটিএ-র কোথায় খামতি ছিল, তা খুঁজে বের করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবারই সিবিআই আদালতে জানিয়েছে যে, প্রশ্ন ফাঁসের উৎস লুকিয়ে রয়েছে এনটিএ-র ভেতরেই। এর সঙ্গে কোন কোন আধিকারিক যুক্ত, তা এখন আতসকাঁচের তলায়।
পড়ুয়াদের দুর্ভোগের জন্য দুঃখপ্রকাশ করে মন্ত্রী জানিয়েছেন, জালিয়াতদের দৌরাত্ম্য রুখতে সরকার বদ্ধপরিকর। সেই সঙ্গে বড় ঘোষণা- আগামী বছর থেকে নিট পরীক্ষা আর কলম-কাগজে নয়, হবে কম্পিউটারে।
এক নজরে দেখে নিন আগামী দিনের পরীক্ষা নিয়ে কী ভাবছে কেন্দ্র-
প্রশ্ন ফাঁসের শিকড় খুঁজতে সিবিআই-এর উপরই ভরসা রাখছে মন্ত্রক।
জালিয়াতি রুখতে আগামী বছর থেকে ডিজিটাল বা কম্পিউটার ভিত্তিক পরীক্ষা চালু হবে।
এনটিএ-র অন্দরের বা বাইরের- দোষী কাউকেই রেয়াত করা হবে না।
ছাত্রছাত্রীদের আশ্বস্ত করে বার্তা, স্বচ্ছতা ফেরানোই এখন সরকারের পয়লা নম্বর লক্ষ্য। ২১ জুনের পরীক্ষায় যাতে আর কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে দিকেই এখন কড়া নজর দিল্লির।















