আজকাল ওয়েবডেস্ক: কর্ণাটকের প্রাক্তন ডিজিপি-কে নৃশংসভাবে খুনের অভিযোগ তাঁর স্ত্রী পল্লবীর বিরুদ্ধে। রবিবার বাড়ি থেকে কর্ণাটকের প্রাক্তন ডিজিপি ওম প্রকাশের ক্ষতবিক্ষত, রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় তাঁর স্ত্রী ও মেয়েকে আটক করেছে পুলিশ। প্রাক্তন ডিজিপি-র মূল হত্যাকারী তাঁর স্ত্রী বলেই প্রাথমিক অনুমান পুলিশের।
তবে বিকেল গড়াতেই নয়া মোড় ঘটনায়। সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, পুলিশি জেরায় পল্লবী দাবি করেছেন, নিজের ঘরেই তিনি থাকতেন বন্দির মতো। যেখানেই যেতেন, স্বামীর লোকজন তাঁকে অনুসরণ করতেন। স্বামী তাঁকে বিষপ্রয়োগের চেষ্টা করেছিলেন বলেও সন্দেহ পল্লবীর।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, পল্লবী সিজোফ্রেনিয়া এবং অন্যান্য মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছিলেন। তার ছেলেও তার পুলিশে জানিয়েছেন, পল্লবীর অসুস্থতার কথা। পল্লবী একাধিক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যোগ দিয়েছিলেন। নানা জায়গায় তিনি স্বামীর বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহ্ণের আর্জি জানিয়েছিলেন। তাঁর এবং মেয়ের কিছু হলে তারজন্য ওম প্রকাশ দায়ী থাকবেন বলেও আগেই জনিয়েছিলেন পল্লবী। নিজেদের বাঁচাতে ঘরময় ঘী-লেবু দিয়ে শুদ্ধীকরণ প্রক্রিয়া চালিয়েছিলেন বলেও খবর সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থা সূত্রে।
একই সঙ্গে সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাক্তন ডিজিপির ছেলে জানিয়েছেন, গত এক সপ্তাহ ধরে তাঁর মা, বাবাকে খুনের হুমকি দিচ্ছিলেন।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় বেঙ্গালুরুতে নিজের বাড়িতেই খুন করা হয় প্রাক্তন ডিজিপি ওম প্রকাশকে। সূত্রের খবর, বিকেলেই স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর তুমুল অশান্তি হয়। এরপর প্রথমে লঙ্কার গুঁড়ো ছুড়ে ওম প্রকাশের হাত-পা বেঁধে দেন পল্লবী। তাঁর মাথায় কাঁচের বোতল ভেঙে অজ্ঞান করা হয়। তারপর বুকে-পেটে ছুরির কোপ মেরে তাঁকে খুন করেন।
জানা গিয়েছে, খুনের পর আরেক পুলিশ কর্তার স্ত্রীকে ফোন করেছিলেন পল্লবী। তখনই তিনি জানান, ওম প্রকাশকে খুন করেছেন। সেই পুলিশ কর্তা খবর পেয়েই রবিবার ভোরবেলায় ঘটনাস্থলে আরও পুলিশ নিয়ে পৌঁছন। সেখান থেকে ওম প্রকাশের দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।
















