আজকাল ওয়েবডেস্ক: সম্পত্তি কার হবে! এই নিয়ে বাবা-ছেলের বিবাদ। পারিবারিক বিবাদের জেরে চরম পরিণতি হল বেঙ্গালুরুতে। সম্পত্তি নিয়ে অশান্তির জেরে ছেলের হাতে মৃত্যু হল সত্তর বছরের এক বৃদ্ধের। শনিবার রাতে শহর সংলগ্ন ইন্দিরানগরে ঘটনাটি ঘটেছে। ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই চাঞ্চল্য।
পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম মুনিকৃষ্ণাপ্পা। অভিযুক্ত ছেলে মোহনকুমারকে ইতিমধ্যেই পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ সূত্রের খবর, শনিবার রাতে বচসা চলাকালীন বাবার ওপর চড়াও হন মোহনকুমার। মারধরের জেরে গুরুতর আহত হন মুনিকৃষ্ণাপ্পা। পরে সেই আঘাতেই তাঁর মৃত্যু হয়।
কেন এই চরম পদক্ষেপ, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই উঠে এসেছে শহরতলি এলাকার আরও একটি হাড়হিম করা কাণ্ড। কয়েক দিন আগেই বিজ্ঞান নগরে নিজের বাবা-মা’কে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠেছিল পেশায় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার রোহন চন্দ্র ভাটের বিরুদ্ধে। পারিবারিক বিবাদের জেরে ছুরি নিয়ে বাবা-মায়ের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন ৩৩ বছরের ওই যুবক। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও তাঁদের বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
পারিবারিক অশান্তির জেরে খুনের ঘটনা এ দেশে নতুন নয়। গত বছর কেরলেও এমনই এক মর্মান্তিক ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছিল গোটা দেশকে। দামী গাড়ি কিনে দেওয়ার জেদ ধরেছিলেন বছর আঠাশের এক যুবক। শেষ পর্যন্ত সেই চাহিদা পূরণ করতে না পেরে মেজাজ হারিয়ে লোহার রড দিয়ে ছেলের মাথায় আঘাত করেছিলেন বাবা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছিল ওই যুবকের।
অন্যদিকে, খাস আদালত কক্ষেই বিচারককে খুনের চেষ্টা! রায়ে পছন্দ না হওয়ায় বিচারকের দিকে সরাসরি কাটারি ছুড়ে মারলেন এক ব্যক্তি। সোমবার তামিলনাড়ুর বিরুধুনগর জেলার শ্রীবিল্লিুপুত্তুর ফ্যামিলি কোর্টে এই নজিরবিহীন ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। অল্পের জন্য প্রাণরক্ষা পেয়েছেন বিচারক।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের নাম বালামুরুগান। স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বিচ্ছেদের মামলা চলছিল। ওই দিন ফ্যামিলি কোর্টের স্থায়ী বিচারক না থাকায় মামলার শুনানি করছিলেন পিওসিআর আদালতের বিচারক সুধাকর। তিনি রায় ঘোষণা করতেই মেজাজ হারান বালামুরুগান। কিছু বুঝে ওঠার আগেই নিজের সঙ্গে আনা একটি কাটারি তিনি বিচারকের আসন লক্ষ্য করে ছুড়ে মারেন।
অস্ত্রটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় বিচারক সুধাকর অক্ষত আছেন। তবে এই ঘটনায় আদালত চত্বরে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ তড়িঘড়ি এসে অভিযুক্তকে পাকড়াও করে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, অভিযুক্ত ব্যক্তি মানসিক ভারসাম্যহীন। আদালত কক্ষের নিরাপত্তা এড়িয়ে কীভাবে তিনি অস্ত্র নিয়ে ঢুকলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
