আজকাল ওয়েবডেস্ক: দেশের তিন রাজ্য ও একটি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। তিন রাজ্য হল 
রাজস্থান, কেরল এবং মধ্যপ্রদেশ। এছাড়াও এসআইআর প্রক্রিয়ার পর ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হল আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের। 

রাজস্থান:
এসআইআর-এর ফলে পশ্চিম ভারতের এই রাজ্যে প্রায় ২.৫ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। ২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবর প্রকাশিত আগের প্রকাশিত তালিকা থেকে ২,৪২,৭৬০ জনের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। রাজস্থানে মোট নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা এখন ৫,১৫,১৯,৯২৯ জন। খসড়া তালিকার তুলনায় চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় ১০,৪৮,৬০৫ জন নতুন ভোটার যুক্ত হয়েছেন। 

রাজস্থানের চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় ২,৬৯,৫৭,৮৮১ জন পুরুষ ভোটার, ২,৪৫,৬১,৪৮৬ জন মহিলা ভোটার এবং ৫৬২ জন ট্রান্সজেন্ডার ভোটার রয়েছেন। ১৮ থেকে ২০ বছর বয়সী তরুণ ভোটারের সংখ্যা ৪,৩৫,০৬১ জন বেড়েছে - যা খসড়া তালিকার তুলনায় ০.৮২ শতাংশ বেশি।

রাজস্থানে প্রতি হাজার পুরুষের মধ্যে নারী ভোটারের সংখ্যা ৯০৯ থেকে বেড়ে ৯১১ জনে দাঁড়িয়েছে, যা রাজ্যের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় মহিলাদের মধ্যে বৃহত্তর সচেতনতা এবং অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দেয়।

ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধন পর্বের দ্বিতীয় পর্যায়ে নয়'টি রাজ্যের মধ্যে ছিল রাজস্থান।

মধ্যপ্রদেশে:
চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় রয়েছেন ৫,৩৯,৮১,০৬৫ জন ভোটার। খসড়া তালিকায় ছিলেন ৫,৩১,৩৯,৯৮৩ জন। অর্থাৎ মধ্যপ্রদেশে বেড়েছে ৮,৪৯,০৮২ জন ভোটার। শতাংশের নিরিখে যা ১.৬০ শতাংশ বৃদ্ধি। সংশোধন প্রক্রিয়ায় রাজ্যজুড়ে ১০,৮৫,৪১৩ জন সংযোজন এবং ২,৩৬,৩৩১ জন বাদ পড়েছে।

কেরল:
২০২৬ সালের ২১শে জানুয়ারি পর্যন্ত কেরলের চূড়ান্ত ভোটার সংখ্যা ২,৬৯,৫৩,৬৪৪ জন, যার মধ্যে ১,৩১,২৬,০৪৮ জন পুরুষ, ১,৩৮,২৭,৩১৯ জন মহিলা এবং ২২৭ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার। খসড়া প্রকাশনায় ভোটার সংখ্যা ছিল ২,৫৪,৪২,৩৫২ জন।

আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ: 
কমিশনের প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা অনুসারে কেন্দ্র শাসিত আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে মোট ভোটার সংখ্যা ২,৫৮,০৪০ জন, যার মধ্যে ১,৩০,৪১৫ জন পুরুষ, ১,২৭,৬২২ জন মহিলা এবং ৩ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছে। 

২০২৫- এর ২৩শে ডিসেম্বর প্রকাশিত খসড়া তালিকায় ২,৪৬,৩৯০ জন ভোটার রেকর্ড করা হয়েছিল। সংশোধনের সময়, ১৬,৯১৯টি ফর্ম ৬/৬এ আবেদনপত্র গ্রহণ করা হয়েছিল, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের বাইরে থেকে স্থানান্তরিত হয়ে ১৮ জন ভোটার যুক্ত করা হয়েছিল এবং ৫,২৬৯ জনের নাম বাদ দেওয়া হয়েছিল।