আজকাল ওয়েবডেস্ক:  প্রবীণ নাগরিকরাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এখন ডিজিটাল অ্যারেস্টের শিকার হচ্ছেন। তাদেরকেই টার্গেট করছেন প্রতারকরা। বিশেষত যারা অবসর জীবন পালন করছেন তারা প্রধান টার্গেট হয়ে উঠছেন। নানা ধরণের নিরাপত্তার দিক তাদের সামনে তুলে ধরা হলেও বারেবারে তারাই এই প্রতারণার শিকার হয়ে চলেছেন।


দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যে কটি ডিজিটাল অ্যারেস্টের খবর এসেছে সেখান থেকে বিচার করলে দেখা যাবে সেখানে প্রবীণ নাগরিকরাই বেশি থাকেন। তবে যদি কয়েকটি সাধারণ নিয়ম মেনে চলতে পারেন তাহলে নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে পারবেন প্রবীণরা।


প্রথমত, ভারতের সংবিধানে ডিজিটাল অ্যারেস্ট বলে কিছু নেই। তাই যদি কেউ এই শব্দটি ব্যবহার করে তাহলে সেটি হবে ফেক। এই ধরণের কোনও শব্দ ব্যবহার করে কেউ যদি আপনাকে ফোন করে তাহলে তাকে সোজা উড়িয়ে দিতে পারেন। যে সময় তারা আপনার কাছ থেকে টাকা চাইবেন তখনই আপনি নিশ্চিত হয়ে যাবেন যে এটি একটি ফাঁদ। 


দ্বিতীয়ত, যারা ফোন করে তারা সর্বদা আপনাকে একটি তাড়ার মধ্যে রাখতে চাইবে। তবে আপনি কখনই প্যানিক হবেন না। যদি সেই সময় তাদের ফাঁদে পা না দিয়ে নিজে সেই কাজটি দেরি করতে শুরু করেন তাহলে দেখবেন সেই ব্যক্তি আপনার সঙ্গে আর যোগাযোগ করবে না। 


তৃতীয়ত, ডিজিটাল অ্যারেস্টের প্রথম কথাই হল তারা পুলিশ, কাস্টমস বা ব্যাঙ্কের কর্মী। তারা আপনার ভরসা পেতে চায়। তখনই আপনি তাদের ঠিকানা নিয়ে জানিয়ে দিন আপনি নিজে গিয়ে তাদের সঙ্গে দেখা করতে চান। সেখানেই আপনি অর্ধেক যুদ্ধ জয় করে নেবেন। তখন দেখবেন তারাই আপনাকে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবে।


চতুর্থত, যদি কেউ আপনাকে গ্রেপ্তারির ভয় দেখায় তাহলে আপনি তার নম্বরটি নেওয়ার চেষ্টা করুন। দেখবেন সেই ব্যক্তি সহজে তার নম্বরটি দিতে চাইবে না। কখনই কোনও লেনদেনের পথে যাবেন না। তাহলেই সবকিছু চলে যাবে।

&t=19s


পঞ্চমত, যদি কোনও কারণে ডিজিটাল অ্যারেস্টের মুখে পড়ে আপনার আর্থিক ক্ষতি হয়ে থাকে তাহলে সেখান থেকে দ্রুত প্রশাসনের দ্বারস্থ হন। যদি সেটি করতে দেরি হয় তাহলে সাইবার ক্রাইমে গিয়ে যোগাযোগ করুন। এই কাজটি যত দ্রুত করতে পারবেন ততই আপনার হারানো টাকা ফেরত পাওয়ার কাজটি করতে পারবেন। যত দেরি হবে ততই সম্ভাবনা কমে যাবে।