আজকাল ওয়েবডেস্ক: বেঙ্গালুরুর এক অভিজাত হোটেল। সেখানে স্পা করাতে গিয়ে এক মহিলাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠল। অভিযুক্ত ওই স্পা'এরই একজন থেরাপিস্ট। পুলিশ জানিয়েছে, নির্যাতিতা মহিলা কানাডার বাসিন্দা। গত মঙ্গলবার এই ঘটনায় পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ঘটনাটি জানাজানি হয় গত শুক্রবার। এক ব্যক্তি সমাজমাধ্যম ‘এক্স’ হ্যাণ্ডেলে ওই মহিলার সঙ্গে অশালীন আচরণের কথা লিখে বেঙ্গালুরু পুলিশকে ট্যাগ করেন এবং কড়া পদক্ষেপের দাবি জানান। এর পরেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন।

বিধান সৌধ থানায় দায়ের করা অভিযোগে ৪৪ বছর বয়সি নির্যাতিতা মহিলা জানিয়েছেন, হোটেলের স্পা-তে ম্যাসাজ করানোর সময় ওই থেরাপিস্ট তাঁর সঙ্গে অশ্লীল আচরণ করেন এবং আপত্তিকরভাবে শরীর স্পর্শ করেন। তদন্তকারী এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, “নির্যাতিতা পাঞ্জাবের বাসিন্দা। কিন্তু এখন কাজের সূত্রে কানাডায় থাকেন। তিনি সে দেশের নাগরিকত্ব নিয়েছেন কি না, তা আমরা খতিয়ে দেখছি। ব্যক্তিগত কাজে এসে তিনি ওই হোটেলে উঠেছিলেন।”

পুলিশ সূত্রের খবর, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শনাক্ত করা গেলেও এখনও তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তদন্তের গতিপ্রকৃতি দেখে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে, চিকিৎসক সেজে চিকিৎসার নামে চরম প্রতারণা! এক ভুয়ো চিকিৎসকের দেওয়া ইঞ্জেকশনে প্রাণ হারালেন নভি মুম্বইয়ের ২১ বছর বয়সি এক তরুণী। অভিযুক্ত যুবক আদতে একটি বেসরকারি হাসপাতালের ওয়ার্ড বয়। মর্মান্তিক এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ভাশি এলাকায়।

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত তরুণীর নাম প্রচিতি ভিকুরাম ভুভাড়। পরিবার সূত্রে খবর, ঋতুচক্রের সমস্যা নিয়ে কথা বলতে গেলে অভিযুক্ত সন্দেশ যশবন্ত পাস্তে নিজেকে চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে প্রচিতির বাড়িতে আসেন। তিনি দাবি করেন, তরুণী ‘পিসিওডি’(পলিসিস্টিক ওভারি)-তে আক্রান্ত। চিকিৎসার জন্য পাঁচটি ইঞ্জেকশন দিতে হবে জানিয়ে ১৫ হাজার টাকাও নেন ওই যুবক।

পুলিশ জানিয়েছে, গত ৫ ফেব্রুয়ারি তরুণীর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে দু’টি ইঞ্জেকশন দেন সন্দেশ। তার কিছু ক্ষণের মধ্যেই প্রচিতি জ্ঞান হারান। অবস্থা বেগতিক দেখে ব্যবহৃত সিরিঞ্জ ও চিকিৎসার সরঞ্জাম ভর্তি ব্যাগটি তরুণীর বাবাকে দিয়ে লুকিয়ে ফেলার চেষ্টা করেন অভিযুক্ত। পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা প্রচিতিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

পরিবারের চাপে পড়ে শেষে নিজের অপরাধ কবুল করেন সন্দেশ। জানান, তিনি চিকিৎসক নন, আন্ধেরির একটি নার্সিং হোমের সামান্য ওয়ার্ড বয় মাত্র। ৬ ফেব্রুয়ারি তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে বাশি থানার পুলিশ। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত খুন ও প্রতারণার মামলা রুজু হয়েছে। তরুণীর শরীরে ঠিক কী ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।