আজকাল ওয়েবডেস্ক: খালের ধারের একটি গাছ থেকে উদ্ধার হল এক যুবতীর ঝুলন্ত দেহ। রবিবার সকালে মুঞ্জেশ নগর ক্রসিং এলাকায় এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতার বয়স ২৬ বছর। উদ্ধারের সময় দেখা যায়, তাঁর দেহটি গাছ থেকে ঝুললেও অর্ধেক অংশ খালের জলে ডুবে ছিল।
পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত ওই গৃহবধূ অযোধ্যার বিকাপুর এলাকার বাসিন্দা। সাত বছর আগে তাঁর বিয়ে হয়েছিল। জানা গিয়েছে, শনিবার শ্বশুরবাড়ির লোকেদের সঙ্গে কোনও কারণে তাঁর বাকবিতণ্ডা হয়। তার পরেই তিনি রাগের মাথায় বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। পরদিন সকালে কুরেভার থানার পুলিশ খবর পায়, খালের ধারে একটি দেহ ঝুলছে।
ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ দেখে, নিজের শাড়ির ফাঁস লাগিয়েই ওই বধূ আত্মহত্যা করেছেন। শরীরের নিচের অংশ খালের জলে নিমজ্জিত ছিল। সার্কেল অফিসার আশুতোষ কুমার জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে শরীরে কোনও চোট বা আঘাতের চিহ্ন মেলেনি। ঝগড়ার জেরেই এই চরম সিদ্ধান্ত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।
অন্যদিকে, শাশুড়ির নাক কাটল জামাই! ভয়াবহ। স্রেফ পারিবারিক বিবাদের জেরে শাশুড়ির নাক কাঁচি দিয়ে কেটে নিয়ে চম্পট দিল জামাই। শিউরে ওঠার মতো এই ঘটনাটি ঘটেছে রাজস্থানের জালোর জেলার সারওয়ানা থানা এলাকায়। অভিযুক্ত যুবকের নাম সোহনলাল। অভিযোগ, শাশুড়ির নাকের কাটা অংশটি হাতে নিয়েই এলাকা ছেড়েছে সে।
পুলিশ জানিয়েছে, আক্রান্ত মহিলার নাম কাইলি দেবী (৫২)। বর্তমানে তিনি গুজরাটের মেহসানার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। জানা গিয়েছে, বছর ছয়েক আগে সোহনলালের সঙ্গে কাইলি দেবীর মেয়ে সরিতার বিয়ে হয়েছিল। রাজস্থানের প্রচলিত ‘আটা-সাটা’ প্রথা মেনে এই বিয়ে হলেও গত এক বছর ধরে দম্পতির মধ্যে চরম অশান্তি চলছিল। সরিতা স্বামীর ঘর ছেড়ে বাপের বাড়িতেই থাকছিলেন। বিবাদ মেটাতে একাধিকবার সমাজিক স্তরে বৈঠক হলেও কোনও সমাধান হয়নি।
শনিবার দুপুরে ফের পরিবারে অশান্তি চরমে ওঠে। অভিযুক্ত জামাইয়ের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে বিকেলে থানায় অভিযোগ জানাতে যাচ্ছিলেন কাইলি দেবী। অভিযোগ, পথেই তাঁর ওপর চড়াও হয় সোহনলাল। আচমকাই পকেট থেকে কাঁচি বের করে শাশুড়ির নাকে কোপ বসায় সে। যন্ত্রণায় মহিলা কাতরাতে শুরু করলে তাঁর নাকের কাটা অংশটি নিয়েই দৌড় দেয় সোহনলাল।
রক্তাক্ত অবস্থায় বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় মেহসানার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কাইলি দেবীর স্বামী বাবুলাল খিচড় জামাইয়ের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, সোহনলাল বিশ্বাস করত যে তার শাশুড়িই এই সব অশান্তির মূলে। কাইলি দেবীই তাঁর মেয়েকে উস্কানি দিয়ে ঘর ভাঙছেন। এই আক্রোশ থেকেই এমন কাণ্ড ঘটিয়েছে সে। সারওয়ানা থানার পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত জামাই আপাতত পলাতক। তার খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে।
