আজকাল ওয়েবডেস্ক: বনাঞ্চল কেটে হবে কয়লা খনি। স্থানীয়রা প্রথম থেকেই এই জমি গ্রহণ-গাছ কাটার সিদ্ধান্তের বিরোধীতা করেছিলেন। গাছ কাটায় বাধা দিতেই পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। ঘটনায় বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী এবং ১৩ জন পুলিশ জখম হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার স্থানীয় বাসিন্দারা কর্তৃপক্ষকে গাছটাকায় বাধা দিলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। রাজস্থান রাজ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন নিগম লিমিটেডকে হাসদেওর জঙ্গল সংলগ্ন এলাকায় খনি তৈরির ছাড়পত্র দিয়েছিল ভূপেশ বাঘেল সরকার। খনি তৈরির জন্য বনাঞ্চলের কয়েক লক্ষ গাছ কাটা পড়বে। সেই ঘটনাতেই বারবার প্রতিবাদে পথে নেমেছেন স্থানীয়রা। ফতেপুর এবং শালি গ্রামের আশেপাশের ছয়টি গ্রামের কয়েক হাজার গাছ কাটা পড়বে।
গাছকাটার খবর পেয়েই বুধবার রাত থেকে ছয় গ্রামের বাসিন্দারা একজায়গায় জমায়েত হন। জনসমাগম বাড়তে থাকার সঙ্গে সঙ্গেই বাড়ে উত্তেজনা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় ৪০০ পুলিশ এবং বনদপ্তরের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে গাছ কাটা স্থগিত রাখা হয়।
পুলিশের আচরণের নিন্দা করেছেন কংগ্রেস নেতা, সাংসদ রাহুল গান্ধী। কী বলেছেন তিনি? রাহুল বলেন, ‘হাসদেও জঙ্গলে পুলিশ বাহিনীর সহিংস ব্যবহার, আদিবাসীদের বন ও জমি জোরপূর্বক আত্মসাৎ করার চেষ্টা আদিবাসীদের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করেছে। ছত্তিশগড়ে কংগ্রেস সরকারের সময়, হাসদেও বন না কাটার জন্য বিধানসভায় সর্বসম্মতিক্রমে একটি প্রস্তাব পাস করা হয়েছিল। ‘সর্বসম্মতিক্রমে’ মানে বিরোধীদের সম্মিলিত সম্মতি, অর্থাৎ তাতে সামিল ছিল বিজেপিও। কিন্তু, তারা সরকারে আসার সঙ্গে সঙ্গে এই প্রস্তাব বা হাসদেওর এই অধিবাসীদের দুর্দশার কথা, অধিকারের কথা মনে রাখেনি।
















