আজকাল ওয়েবডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকার আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনার আওতায় চিকিৎসা সংক্রান্ত জালিয়াতি ও 'ভুয়ো' দাবি রুখতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং মেশিন লার্নিং প্রযুক্তির ব্যবহার করেছে। ন্যাশনাল হেলথ অথরিটির (এনএইচএ) 'ন্যাশনাল অ্যান্টি-ফ্রড ইউনিট' প্রতিদিন গড়ে ৪০,০০০-এর বেশি দাবি স্ক্রিন করতে এই আধুনিক ব্যবস্থা ব্যবহার করছে।

 

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যে ভাবে জালিয়াতি ধরছে, সেগুলি হল-

 

কম্পিউটারের অত্যাধুনিক ভিশন প্রযুক্তির মাধ্যমে এক্স-রে ও সিটি স্ক্যান বিশ্লেষণ করে দেখছে। হাসপাতালের আর্থিক দাবি রোগীর আসল রিপোর্টের সঙ্গে মিলছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে এআই। এছাড়া, জাল সই বা ডিপফেক দিয়ে তৈরি ভুয়ো নথিপত্রও ধরে ফেলছে উন্নত ব্যবস্থা। যা ছবির অপব্যবহার রুখতে সাহায্য করবে আইসিইউ-তে থাকা রোগীর ছবি ও নাম বদলে অন্য 'ভুয়ো' ক্লেম ব্যবহার করে বেশি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টাকে রুখে দিচ্ছে এআই।

 

সময়ের অসঙ্গতি ও রোগের ভুল কোডিং ধরতেও সাহায্য করছে এআই। রোগীর মৃত্যুর পর সেই ক্লেম জমা দেওয়া কিংবা ছোটখাট কোনও অসুখকে বড় সার্জারির হিসাব দেখিয়ে বাড়তি টাকা তোলার জালিয়াতিও অনায়াসে রুখে দিচ্ছে এই এআই ব্যবস্থাপাশাপাশি, জালিয়াতি রুখতে হাসপাতালে ভর্তি ও ছুটির সময় বাধ্যতামূলক আধার নির্ভর বায়োমেট্রিক যাচাইকরণ ব্যবহার করা হচ্ছে।

 

পুরনো প্রক্রিয়ায় ম্যানুয়াল অডিটের বদলে এই স্বয়ংক্রিয় নজরদারির মাধ্যমে বড়সড় সাফল্য মিলছে বলেও জানা গিয়েছে। অ্যান্টি-ফ্রড সিস্টেমের সাহায্যে ইতিমধ্যেই ৬৩০ কোটি টাকারও বেশি ভুয়া ক্লেম আটকানো সম্ভব হয়েছে। যে ক্লেমগুলি নিয়ে কোনও আপত্তি দেখা যায়নি, তাঁদের ক্ষেত্রে ক্লেমের টাকা গড়ে ২০ দিন সময় লাগত। এখন তা মাত্র ৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রসেস করা সম্ভব হচ্ছে এআই-এর রিপোর্টের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই দেশের কয়েকশো অসদুপায় অবলম্বনকারী হাসপাতালকে সাসপেন্ড এবং জরিমানা করা হয়েছে।