রোবোটিক্স ও ডিজিটাল টাইপিংয়ের যুগে হাতে লেখার চর্চা প্রায় উঠেই গিয়েছে। কিন্তু এর মধ্যেই ব্যতিক্রমী উদাহরণ তৈরি করে বিশ্ববাসীর নজর কেড়েছেন নেপালের কিশোরী প্রকৃতি মল্লা। তাঁর নিখুঁত ও মুক্তোঝরা হাতের লেখা সোশ্যাল মিডিয়ায় ফের ভাইরাল হয়েছে।
2
7
প্রকৃতির হাতের লেখার প্রতিটি অক্ষরের আকার, আকৃতি এবং দুটি শব্দের মাঝখানের ফাঁক এতটাই নিখুঁত ও সুষম যে প্রথম দেখায় সেগুলোকে কম্পিউটার বা এমএস ওয়ার্ডের প্রিন্ট করা ফন্ট বলেই মনে হয়।
3
7
বীরেন্দ্র সৈনিক আবাসিক মহাবিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী প্রকৃতি। সেখানে থাকাকালীন একটি স্কুল প্রজেক্টের লেখা নেপালেরই এক ব্যক্তির নজরে আসে।
4
7
তিনি ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তা দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে।
5
7
২০১৬ সালে নেপালে জাতীয় সম্মান অর্জনের পর, ২০২২ সালের ডিসেম্বরে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির ৫১তম ‘স্পিরিট অফ দ্য ইউনিয়ন’ উপলক্ষে একটি অভিনন্দনপত্র পাঠিয়ে আন্তর্জাতিক মহলেরও প্রশংসা কুড়ান প্রকৃতি।
6
7
সেখানকার দূতাবাসের পক্ষ থেকেও তাঁকে বিশ্বের সেরা হস্তাক্ষরের অধিকারী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
7
7
ডিজিটাল মাধ্যমের যুগেও প্রকৃতির এই ব্যতিক্রমী প্রতিভা প্রমাণ করে যে, নিখুঁত হাতে লেখার শিল্প আজও মানুষের মনে মুগ্ধতা ছড়াতে সমানভাবে সক্ষম।