হোয়াটসঅ্যাপ বর্তমান সময় যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেটা নিকট কারও সঙ্গে দিনভর কথা বলার জন্য হোক বা অফিসিয়াল কোনও নথি বা কথা আদানপ্রদানের জন্য, কিংবা বিশ্বের দূর প্রান্তে বসে থাকা কারও সঙ্গে কথোপকথনের জন্য সবথেকে বেশি ব্যবহৃত অ্যাপ এটি। তবে এই অ্যাপের একটি বিষয় নিয়ে অনেকেই আপত্তি জানিয়েছিলেন, হোয়াটসঅ্যাপে কথা বলতে গেলে নম্বর দিতে হয় না চাইতেও, কোনও গ্রুপে যোগ করা হলে, সেখানকার সকল সদস্য নম্বর জেনে যেতেন। এবার থেকে আর সেটা হবে না। বাড়ল ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা। ছবি- সংগৃহীত
2
8
হোয়াটসঅ্যাপের নতুন আপডেট অনুযায়ী যুক্ত হল ইউজারনেম ফিচার। এর সাহায্যে মোবাইল নম্বর রিভিল না করে, কাউকে না দিয়েই তার সঙ্গে চ্যাট করতে পারবেন। এটি একটি ডিজিটাল আইডেন্টিটি হয়ে থাকবে। ছবি- সংগৃহীত
3
8
কী কী লাভ হবে এই ফিচারের জন্য? ব্যবহারকারীরা একটা ইউনিক ইউজারনেম বানিয়ে সেটা ব্যবহার করতে পারবেন। প্রোফাইল সেটিংসে এই অপশন রয়েছে। ফোন নম্বর পাবলিক হবে না। ইউজারনেম দিলেই হবে। ছবি- সংগৃহীত
4
8
এছাড়া যোগাযোগ আরও সহজ এবং সোজা হবে। পাবলিক এবং কমিউনিটি গ্রুপে নিরাপদ এবং নিশ্চিন্তে যোগ দেওয়া যাবে। নম্বর পাবলিক হওয়ার ভয় থাকবে না। ছবি- সংগৃহীত
5
8
অপ্রয়োজনীয় এবং স্প্যাম কলের উৎপাত থেকে অনেকটাই বাঁচা যাবে। ক্রিয়েটর, ফ্রিল্যান্সার এবং ব্যবসায়ীদের জন্য একটি প্রফেশনাল আইডেন্টিটি তৈরি করা সম্ভব হবে। ছবি- সংগৃহীত
6
8
কী করে এই ফিচার ব্যবহার করতে পারবেন বা অন করতে পারবেন এটি? হোয়াটসঅ্যাপটি অ্যাপটির লেটেস্ট ভার্সনে এই সুবিধা পাবেন। তাই এই অ্যাপটি বহুদিন আপডেট না করালে করিয়ে নিন। ছবি- সংগৃহীত
7
8
এবার সেটিংস অপশনে যান। সেখানে প্রোফাইলে ক্লিক করুন। দেখুন ইউজারনেম অপশন রয়েছে। সেখানে নিজের একটা ইউনিক ইউজারনেম দিন। সেভ করুন। এবং ফোন নম্বরের বদলে সেটা ব্যবহার করা শুরু করুন। ছবি- সংগৃহীত
8
8
সবাই কি এখন এই ফিচার ব্যবহার করতে পারবেন? না। তবে ধীরে ধীরে মেটার তরফে এই প্রাইভেসি সেটিংস নিয়ে আসা হচ্ছে সমস্ত ফোনেই।ছবি- সংগৃহীত