তীব্র দাবদাহে পুড়ছে গোটা দেশ। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চড়চড় করে বাড়ছে পারদ। এই হাঁসফাঁস গরমে স্বস্তি পেতে ঘরে ঘরে এখন একটানা চলছে এসি কিংবা কুলার।
2
15
পরিস্থিতি এতটাই মারাত্মক যে, দিন তো বটেই, রাতেও এসি বন্ধ করার উপায় নেই। এই আবহেই অনেকের মনে একটা প্রশ্ন উঁকি দিচ্ছে। সারারাত একটানা এসি চালালে কি যন্ত্রটি দ্রুত খারাপ হয়ে যেতে পারে?
3
15
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভয়ের কোনও কারণ নেই। দিনের বেলার তুলনায় রাতের তাপমাত্রা সাধারণত কিছুটা কম থাকে। সূর্যের উত্তাপ না থাকায় পরিবেশের তেজও কমে।
4
15
রাতে ঘর ঠান্ডা করতে এসির কম্প্রেসারের উপর চাপ অনেকটাই কম পড়ে। এই কারণে সারারাত একটানা এসি চালালেও যন্ত্রটির কোনও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে না।
5
15
মুশকিল হয় তখনই, যখন সময়মতো এসির যত্ন নেওয়া হয় না। দীর্ঘদিন সার্ভিসিং না করালে এসির ফিল্টারে পুরু ধুলো-ময়লার আস্তরণ জমে যায়। ফলে ঘর ঠান্ডা হতে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি সময় লাগে। ঘরের তাপমাত্রা কমাতে কম্প্রেসারকে তখন দ্বিগুণ পরিশ্রম করতে হয়।
6
15
একটানা এই বাড়তি চাপের ফলেই এসির বিভিন্ন যন্ত্রাংশ দ্রুত ক্ষয়ে যায় এবং যন্ত্রটি বিকল হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
7
15
নিয়মিত সার্ভিসিং করালে ফিল্টার পরিষ্কার থাকে, ফলে ঘর দ্রুত এবং ভালোভাবে ঠান্ডা হয়। অবহেলা করলে এসির পারফরম্যান্স কমতে শুরু করে।
8
15
নোংরা ফিল্টার নিয়ে এসি চললে বিদ্যুৎ খরচ এক ধাক্কায় অনেকটা বেড়ে যায়। ফলস্বরূপ, মাসের শেষে বিদ্যুতের বিল দেখে কপালে ভাঁজ পড়তে বাধ্য।
9
15
অনেকেরই অভ্যাস থাকে এসি চালিয়েই তাপমাত্রা একবারে ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামিয়ে দেওয়া। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অভ্যাস মোটেও ভালো নয়।
10
15
ঘর দ্রুত কনকনে ঠান্ডা করতে গিয়ে কম্প্রেসারের উপর মারাত্মক চাপ পড়ে। এতে বিদ্যুতের বিল লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ে।
11
15
এসি চালানোর জন্য ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাই সবচেয়ে আদর্শ। এই তাপমাত্রায় ঘর যেমন আরামদায়ক থাকে, তেমনই বিদ্যুতের সাশ্রয় হয়। সবথেকে বড় কথা, কম্প্রেসারের উপর কোনও বাড়তি চাপ পড়ে না।
12
15
কিছু নিয়ম মানলেই এর থেকে রেহাই মিলবে। নিয়মিত এসির সার্ভিসিং করাচ্ছেন কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে।
13
15
এসির ফিল্টার নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন, যাতে হাওয়া চলাচলে কোনও বাধা না সৃষ্টি হয়।
14
15
ঘরের বিদ্যুৎ সংযোগ এবং ওয়্যারিং ঠিকঠাক আছে কিনা অভিজ্ঞ টেকনিশিয়ান দিয়ে পরীক্ষা করিয়ে নিন।
15
15
এই সামান্য কয়েকটি নিয়ম মেনে চললেই যে কোনও বড়সড় যান্ত্রিক ত্রুটি এড়ানো সম্ভব। এসি-ও চলবে বছরের পর বছর, একদম নতুনের মতো।