রাজ্যের রাজস্ব বাড়াতে অর্থ বিলে একাধিক সংশোধনী আনল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। বিধানসভায় অর্থ বিল নিয়ে আলোচনায় অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত জানান, করের হার না বাড়িয়েই রাজস্ব সংগ্রহ বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রশাসনিক স্তরে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন করা হয়েছে।
2
9
বিশেষ করে প্রফেশনাল ট্যাক্স (পি-ট্যাক্স) আদায়ের নিয়মে সংশোধন আনা হয়েছে। নতুন ব্যবস্থায়, পশ্চিমবঙ্গে কর্মরত কোনও বেসরকারি কর্মীর প্রফেশনাল ট্যাক্স সংশ্লিষ্ট সংস্থার সদর দপ্তর অন্য রাজ্যে থাকলেও আর সেই রাজ্যে যাবে না।
3
9
যদি কর্মস্থল পশ্চিমবঙ্গে হয়, তাহলে ওই কর্মীর পি-ট্যাক্স এবার থেকে সরাসরি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কোষাগারেই জমা হবে।
4
9
অর্থমন্ত্রীর দাবি, এতদিন বহু সংস্থার হেড অফিস অন্য রাজ্যে থাকায় কর্মীদের প্রফেশনাল ট্যাক্সও সেই রাজ্যের কোষাগারে জমা পড়ত।
5
9
সংশোধিত বিধানের ফলে সেই অর্থ এবার পশ্চিমবঙ্গের রাজস্বে যুক্ত হবে, যার ফলে সরকারের আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।
6
9
সরকারের মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে অসংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মীদের সংগঠিত ব্যবস্থার আওতায় আনা সহজ হবে এবং কর প্রশাসনও আরও কার্যকর হবে।
7
9
অর্থমন্ত্রীর দাবি, বর্তমান প্রবণতা অনুযায়ী এই পরিবর্তনের ফলে রাজ্যের রাজস্ব প্রায় ১৮ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে।
8
9
অর্থ বিলে খনি খাতের কর কাঠামোতেও সংশোধনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য, পূর্ববর্তী সরকার এই ক্ষেত্রে কর ছাড়ের নীতি নিয়েছিল। বর্তমান সরকার সেই ব্যবস্থাকে আরও কঠোর করে রাজস্ব আদায়ের পরিধি বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে।
9
9
সরকারের দাবি, করের বোঝা না বাড়িয়ে প্রশাসনিক সংস্কারের মাধ্যমে রাজস্ব বৃদ্ধিই এই সংশোধিত অর্থ বিলের মূল লক্ষ্য।