গরম পড়তেই অনেকে ঠান্ডা পানীয়ের দিকে ঝোঁকেন। তবে বাজারের কোল্ড ড্রিঙ্ক বা অতিরিক্ত মিষ্টি পানীয় শরীরের জন্য খুব একটা ভাল নয়। তার বদলে বাড়িতে তৈরি আইসড টি হতে পারে স্বাস্থ্যকর এবং সুস্বাদু বিকল্প।
2
10
খুব কম উপকরণেই সহজে বানানো যায় এই পানীয়। পাশাপাশি এটি শরীরকে ঠান্ডা রাখতেও সাহায্য করে।
3
10
আইসড টি মূলত ঠান্ডা চা। সাধারণ চায়ের মতোই এটি তৈরি হয়, তবে পরে বরফ ও বিভিন্ন ফল বা ভেষজ মিশিয়ে পরিবেশন করা হয়।
4
10
অনেকেই আইসড টি-তে লেবু, পুদিনা, আম, পিচ বা কমলার স্বাদ যোগ করেন। এতে পানীয় আরও রিফ্রেশিং হয়ে ওঠে।
5
10
সবচেয়ে সহজ রেসিপি হল ক্লাসিক লেমন আইসড টি। এটি বানাতে লাগবে জল, টি ব্যাগ, লেবুর রস, সামান্য মধু বা চিনি এবং বরফ। প্রথমে জল ফুটিয়ে তাতে টি ব্যাগ কয়েক মিনিট ডুবিয়ে রাখতে হবে। তারপর চা ঠান্ডা করে তাতে লেবুর রস মিশিয়ে বরফ দিয়ে পরিবেশন করতে হবে। গরমের দিনে এই পানীয় শরীরকে দ্রুত সতেজ করে দেয়।
6
10
যাঁরা ফলের স্বাদ পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য পিচ আইসড টি ভাল বিকল্প। ব্ল্যাক টি-র সঙ্গে পিচের টুকরো মিশিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিলে চায়ের মধ্যে ফলের মিষ্টি স্বাদ চলে আসে। পরে বরফ দিয়ে পরিবেশন করলে এটি খুবই সুস্বাদু লাগে।
7
10
এছাড়া গ্রিন টি দিয়ে তৈরি মিন্ট-লাইম আইসড টি-ও এখন বেশ জনপ্রিয়। গ্রিন টি-র সঙ্গে পুদিনা পাতা ও পাতিলেবুর রস মেশালে পানীয় আরও স্বাস্থ্যকর হয়ে ওঠে। পুদিনা শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে, আর লেবু ভিটামিন সি জোগায়। গরমে ক্লান্তি কমাতেও এই পানীয় কার্যকর।
8
10
আমপ্রেমীদের জন্য ম্যাঙ্গো আইসড টি একেবারে পারফেক্ট। পাকা আমের পিউরি, চা এবং সামান্য মধু মিশিয়ে তৈরি এই পানীয় স্বাদে যেমন দারুণ, তেমনই পুষ্টিগুণেও ভরপুর। এতে শরীরে এনার্জিও পাওয়া যায়।
9
10
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আইসড টি বানানোর সময় বেশি চিনি ব্যবহার না করাই ভাল। অতিরিক্ত চিনি শরীরের ক্ষতি করতে পারে। তার বদলে মধু বা ফলের প্রাকৃতিক মিষ্টি ব্যবহার করা যেতে পারে। চাইলে আদা, তুলসি বা দারচিনিও যোগ করা যায়।
10
10
দিনে অতিরিক্ত আইসড টি খাওয়া উচিত নয়। কারণ চায়ে ক্যাফেইন থাকে, যা বেশি খেলে ঘুমের সমস্যা বা অস্বস্তি হতে পারে। তাই পরিমিত পরিমাণে খেলেই মিলবে সবচেয়ে বেশি উপকার।