সাধারণ বিদ্যুৎ গ্রাহকদের জন্য বড় স্বস্তির খবর নিয়ে এলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
2
13
বুধবার বিধানসভায় বিদ্যুৎ দপ্তরের বাজেট বরাদ্দ নিয়ে আলোচনায় তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, জানুয়ারি থেকে রাজ্য বিদ্যুৎ পর্ষদ এলাকায় তিন মাস অন্তর বিদ্যুৎ বিল দেওয়ার যে পুরনো ব্যবস্থা ছিল, তা বাতিল করা হচ্ছে। এ বার থেকে প্রতি মাসেই বিদ্যুৎ বিল পৌঁছে যাবে গ্রাহকের ঘরে।
3
13
দীর্ঘদিন ধরেই সিইএসসির গ্রাহকরা প্রতি মাসে বিল পেলেও রাজ্য বিদ্যুৎ পর্ষদের আওতাভুক্ত এলাকায় তিন মাসের এককালীন বিল আসায় গ্রাহকদের ক্ষোভের মুখে পড়তে হতো প্রশাসনকে।
4
13
এ দিন সেই অসন্তোষ মিটিয়ে স্বস্তি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দেন, গৃহস্থালির ক্ষেত্রে স্মার্ট মিটার বসানো একেবারেই বাধ্যতামূলক নয়।
5
13
বিদ্যুৎ বিল নিয়ে বিরোধী বাম ও এসইউসিআই-এর ধারাবাহিক আন্দোলনকে একহাত নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী কটাক্ষের সুরে বলেন, “এ বার বামপন্থীরা কী নিয়ে আন্দোলন করবে? আপনাদের আর মিছিল করার কোনও সুযোগ দেব না।”
6
13
রাজ্যের বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় পরিকাঠামোগত পরিবর্তনের পাশাপাশি আর্থিক স্বাবলম্বিতার জন্য একগুচ্ছ রূপরেখা তুলে ধরেন তিনি।
7
13
রাজ্যের নিজস্ব বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী সংস্থা ডব্লিউবিপিডিসিএল-কে লাভজনক করতে সেটিকে 'পাবলিক লিস্টেড কোম্পানি' হিসেবে শেয়ার বাজারে নিয়ে আসা হচ্ছে।
8
13
এর অনুমোদিত শেয়ার মূল্য ধরা হয়েছে ১২ হাজার কোটি টাকা। এই সংস্থার লাভের একটা অংশ সরাসরি রাজ্যের অর্থনীতি ও সিএসআর তহবিলে ব্যবহার করা হবে।
9
13
রাজ্যের ৬টি কয়লাখনি থেকে উৎপাদিত ৩০ লক্ষ টন অতিরিক্ত কয়লা আন্তর্জাতিক বাজারমূল্যে স্বচ্ছতার সঙ্গে নিলাম করা হবে। এই অর্থ সরাসরি বিদ্যুৎ দপ্তরের রাজস্বে যুক্ত হবে।
10
13
সাঁওতালডিহির পাশাপাশি বক্রেশ্বর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ১০ হাজার ৯৭০ কোটি টাকা খরচে ৮০০ মেগাওয়াটের নতুন একটি ইউনিট তৈরি হচ্ছে।
11
13
এ ছাড়া বক্রেশ্বরে ২ হাজার ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০০ মেগাওয়াটের ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং বড় মাপের ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম গড়ে তোলা হবে। কোলাঘাটেই সৌরবিদ্যুৎ ও ব্যাটারি স্টোরেজ প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে বিপুল অর্থ।
12
13
রাজ্যের ১ হাজারটি বালিকা উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজে স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন বসানোর দায়িত্ব হাতে নিয়েছে বিদ্যুৎ দপ্তর।
13
13
এ দিনের আলোচনায় সিপিএমের মুস্তাফির রহমান, আইএসএফের নওশাদ সিদ্দিকি ও বিজেপির শঙ্কর গুছাইতের নানা প্রশ্নের জবাবে রাজ্য বিদ্যুৎ দপ্তরের এই বিশাল মেগা প্ল্যান তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী।