বেসরকারি সংস্থার স্বল্পবেতনের কর্মী হন কিংবা দিনমজুর- বয়স বাড়লে সংসার কীভাবে চলবে, সেই চিন্তা কমবেশি সকলকেই তাড়া করে।
2
9
বিশেষ করে অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিক, যাঁদের বাঁধাধরা মাইনে বা সঞ্চয় নেই, বার্ধক্যে পৌঁছনোর পর তাঁদের অনিশ্চয়তা সবচেয়ে বেশি।
3
9
এই মানুষদের ভবিষ্যতের দিকটি মাথায় রেখেই কেন্দ্র চালু করেছে ‘প্রধানমন্ত্রী শ্রম যোগী মানধন যোজনা’ (PM-SYM)। এই প্রকল্পে প্রতি মাসে সামান্য কিছু টাকা জমিয়ে রাখলে ৬০ বছর বয়সের পর থেকে মিলবে নির্দিষ্ট অঙ্কের পেনশন।
4
9
এই স্কিমে যুক্ত হতে পারেন ১৮ থেকে ৪০ বছর বয়সী যে কোনও অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিক, যাঁদের মাসিক আয় ১৫ হাজার টাকার বেশি নয়। রাস্তার ফেরিওয়ালা, রিকশাচালক, নির্মাণকর্মী, দর্জি, মুচি, ধোপা কিংবা গৃহসহায়ক- সকলেই এই সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের আওতাভুক্ত হতে পারেন।
5
9
তবে শর্ত একটাই। আবেদনকারীকে আয়করদাতার আওতাভুক্ত হলে চলবে না। পাশাপাশি, EPFO, NPS বা ESIC-র মতো পেনশন বা বিমা ব্যবস্থার সুবিধা ভোগ করেন এমন ব্যক্তিরা এই প্রকল্পের জন্য যোগ্য নন।
6
9
প্রকল্পে জমার পরিমাণ ঠিক হয় আবেদনকারীর বয়সের ভিত্তিতে। কম বয়সে যোগ দিলে আর্থিক বোঝার পরিমাণও থাকে বেশ কম। যেমন, ১৮ বছর বয়সে এই যোজনায় নাম নথিভুক্ত করলে মাসে দিতে হয় মাত্র ৫৫ টাকা।
7
9
বয়স বৃদ্ধি পেলে জমার অঙ্কও কিছুটা বাড়ে- ২৯ বছর বয়সে যোগ দিলে মাসে জমা পড়ে ২০০ টাকা।
8
9
নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত নিয়মিত কিস্তি জমা দিলে, তার পর থেকে মিলবে প্রতি মাসে সর্বোচ্চ ৩,০০০ টাকা পর্যন্ত নিশ্চিত পেনশন। অর্থাৎ বছরে হাতখরচ বাবদ ঘরে আসবে ৩৬,০০০ টাকা।
9
9
বিশেষ করে যারা দিন আনে দিন খায়, তাদের শেষ বয়সে স্বাবলম্বী হয়ে ওঠার জন্য এই সরকারি উদ্যোগ নিঃসন্দেহে অত্যন্ত কার্যকর একটি হাতিয়ার।