বিয়ের পর ম্যারেজ সার্টিফিকেট বা বিয়ের শংসাপত্র বানাতে সরকারি দপ্তরে বারবার যাওয়ার ঝামেলা অনেকটাই কমতে পারে। অনেক রাজ্যে অনলাইনে বিয়ে নথিবদ্ধ করার জন্য আবেদন করা যায়। কোথাও কোথাও আধার কার্ডের মাধ্যমে পরিচয় যাচাইয়ের সুবিধাও রয়েছে।
2
8
বিয়ের শংসাপত্র বিয়ের আইনি প্রমাণ। পাসপোর্ট, ভিসা, নাম পরিবর্তন, বিমা, যৌথ সম্পত্তি বা বিভিন্ন সরকারি পরিষেবার ক্ষেত্রে এই নথি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
3
8
অনলাইন আবেদনের সময় আধার কার্ড ব্যবহার করে আবেদনকারীর পরিচয় যাচাই করা যেতে পারে। কিছু সরকারি ব্যবস্থায় আধার অথেন্টিকেশনের মাধ্যমে বর এবং কনে দু’জনের পরিচয় যাচাইয়ের ব্যবস্থা রয়েছে।
4
8
প্রথমে আপনার রাজ্যের সরকারি ম্যারেজ রেজিস্ট্রেশন বা ই-ডিস্ট্রিক্ট পোর্টালে যেতে হবে। সেখানে সাধারণত বিয়ের শংসাপত্র সংক্রান্ত পরিষেবা নির্বাচন করে অ্যাকাউন্ট তৈরি করে লগ ইন করতে হবে। অনলাইন পরিষেবা রাজ্যভেদে আলাদা হতে পারে।
5
8
বর এবং কনের নাম, বয়স, ঠিকানা, পরিচয় সংক্রান্ত তথ্য এবং বিয়ের বিবরণ দিতে হতে পারে। আধারের তথ্য, বয়সের প্রমাণ, ঠিকানার প্রমাণ, বিয়ের ছবি বা নিমন্ত্রণপত্রের মতো নথিও রাজ্যের নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজন হতে পারে।
6
8
প্রথমে পোর্টালে লগ ইন করে ম্যারেজ রেজিস্ট্রেশন নির্বাচন করুন। এবার ফর্মে সব তথ্য পূরণ করে ফেলুন। পরবর্তী ধাপে প্রয়োজনীয় নথি আপলোড করে আধার কার্ডের তথ্য দিয়ে পরিচয় যাচাই করুন। অবশেষে ফি পরিশোধ করে ফর্ম জমা করুন।
7
8
এখানেই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অনলাইনে আবেদন করা মানেই সব রাজ্যে পুরো প্রক্রিয়া ঘরে বসে শেষ হবে এমনটা নয়। কিছু ক্ষেত্রে আবেদন অনলাইনে হলেও ম্যারেজ রেজিস্ট্রারে সামনে যাচাই রেজিস্ট্রেশনের জন্য যেতে হতে পারে।
8
8
শুধু কোনও তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইট দেখে আবেদন করবেন না। নিজের রাজ্যের সরকারি পোর্টালেই পরিষেবাটি রয়েছে কি না দেখে নিন। আধারের ওটিপি বা ব্যক্তিগত তথ্যও অপরিচিত কারও সঙ্গে শেয়ার করবেন না। কারণ Marriage Registration-এর নিয়ম, নথি, ফি এবং প্রক্রিয়া রাজ্যভেদে বদলাতে পারে।