UPI লেনদেনে মাশুল বসানোর জল্পনায় দেশজুড়ে বিতর্ক তুঙ্গে। আর এই আবহেই কড়া অবস্থানের কথা জানিয়ে দিলেন পেট্রোল পাম্প ডিলাররা। সাফ জানিয়ে দেওয়া হল, ২০০০ টাকার বেশি লেনদেনে মাশুল গুনতে হলে UPI-তে টাকা নেওয়া বন্ধ করে দেবেন তাঁরা।
2
10
সে ক্ষেত্রে গ্রাহকদের নগদ টাকাতেই জ্বালানির দাম মেটাতে হবে। ডিলারদের দাবি, ২০০০ টাকার ডিজিটাল লেনদেনে ৫ টাকা মাশুল মেটাতে হলে পাম্প চালানোই দায় হয়ে পড়বে।
3
10
ইতিমধ্যেই 'অল ইন্ডিয়া পেট্রোলিয়াম ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন'-এর তরফে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে। ২০০০ টাকার উপরে লেনদেন হলে পেট্রোল পাম্পগুলিকে ছাড় দেওয়ার আর্জি জানিয়েছে তারা।
4
10
সংগঠনের অ্যাসোসিয়েট প্রেসিডেন্ট অজয় বনসলের বক্তব্য, তাঁদের আয় মোট বিক্রি হওয়া টাকার পরিমাণের ওপর নির্ভর করে না, বরং প্রতি লিটার তেলে কত মার্জিন মিলছে তার ওপর নির্ভর করে। ফলে লেনদেনে ফি বসলে সরাসরি কোপ পড়বে ডিলারদের উপর।
5
10
রাজধানী সংলগ্ন এলাকা, পাঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশ, মুম্বই, কর্ণাটক ও রাজস্থানের ডিলাররাও এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করছেন।
6
10
তাঁদের যুক্তি, লিটারপ্রতি তেল বিক্রি করে মাত্র ২.৪০ থেকে ৩.৪০ টাকা মতো লাভ থাকে। এই পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত মাশুলের বোঝা টানা অসম্ভব।
7
10
'অল ইন্ডিয়া পেট্রোলিয়াম ট্রেডার্স'-এর মুখপাত্র মন্টি সেহগল সরাসরি জানান, "২০০০ টাকা বা তার বেশি টাকার কেনাকাটায় UPI পেমেন্ট নেওয়া পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া ছাড়া আমাদের সামনে আর কোনও পথ খোলা থাকবে না।"
8
10
পরিসংখ্যান বলছে, বর্তমানে দেশে প্রায় ১ লক্ষ ৩ হাজার ২৩টি পেট্রোল পাম্প রয়েছে। এর প্রায় ৯০ শতাংশই ইন্ডিয়ান অয়েল, ভারত পেট্রোলিয়াম ও হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়ামের মতো সরকারি সংস্থা দ্বারা পরিচালিত।
9
10
বাকি অংশ রয়েছে নায়ারা, জিও-বিপি ও শেল-এর মতো বেসরকারি হাতে। ‘অখিল কর্ণাটক ফেডারেশন অফ পেট্রোলিয়াম ট্রেডার্স’-ও তেল বিপণন সংস্থাও কেন্দ্রকে চিঠি দিয়েছে।
10
10
ডিলারদের বক্তব্য, জ্বালানির দর স্থির করে তেল সংস্থাগুলি, দাম বাড়ানো-কমানোর অধিকার ডিলারদের নেই। তাই ডিজিটাল পেমেন্টের এই বাড়তি খরচ বহন করা তাঁদের পক্ষে কোনওভাবেই সম্ভব নয়।