বছর শেষে আবারও প্রকৃতির রুদ্রমূর্তি! অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরে আছড়ে পড়তে পারে একের পর এক সাইক্লোন। তবে বাংলায় আদৌ প্রভাব পড়বে কিনা, তা নিশ্চিতভাবে জানায়নি মৌসম ভবন।
2
7
তবে চলতি বছরে বর্ষা-পরবর্তী তিনটি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা রয়েছে। বুক কাঁপানো পূর্বাভাস আগেই দিয়েছে ইসরো। এর গতিপথ যদিও জানা যায়নি।
3
7
গত তিন বছরে, ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বর্ষা-পরবর্তী একের পর এক শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের সাক্ষী থেকেছে গোটা বিশ্ব। যে ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে কয়েকশ মৃত্যু, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছে বিভিন্ন জায়গায়।
4
7
২০২৩ সালে অক্টোবর মাসে আরব সাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় তেজ ইয়ামেনে আছড়ে পড়েছিল। সেই বছরেই ডিসেম্বর মাসে অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের বাপতলা এবং নেলোরের কাছে স্থলভাগে আছড়ে পড়েছিল ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম।
5
7
২০২৪ সালে অক্টোবরের শেষে ওড়িশার ভদ্রক জেলার ধামরা বন্দর ও ভিতরকণিকার কাছে ওড়িশা উপকূল অতিক্রম করে স্থলভাগে আছড়ে পড়েছিল ঘূর্ণিঝড় দানা। এই বছরে নভেম্বর শেষে পুদুচেরি এবং তামিলনাড়ু উপকূলের মহাবলীপুরম ও কারাইকালের মাঝে মূল ভূখণ্ডে আছড়ে পড়েছিল ঘূর্ণিঝড় ফেংগাল।
6
7
২০২৫ সালে অক্টোবরের শুরুতেই ঘূর্ণিঝড় শক্তি ভারতের স্থলভাগে আছড়ে পড়েনি, অক্টোবরের শেষে ঘূর্ণিঝড় মান্থা অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আছড়ে পড়ে, নভেম্বরের শেষে ঘূর্ণিঝড় সেনিয়ার ইন্দোনেশিয়ার উত্তর সুমাত্রা (আচেহ প্রদেশ) এবং মালয় উপদ্বীপে (মালয়েশিয়া) আছড়ে পড়েছিল।
7
7
২০২৪ সালে নভেম্বরের শেষে ঘূর্ণিঝড় দিতওয়াহ তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরি উপকূলের কাছাকাছি এসে দুর্বল হয়ে পড়ে এবং শ্রীলঙ্কা ও দক্ষিণ ভারতের উপকূলে ব্যাপক প্রভাব ফেলে।