কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর ভবিষ্যৎ নিয়ে সারা বিশ্বজুড়ে এখন চরম উদ্বেগ। প্রযুক্তি কতটা এগোবে- শুধু সেই বিতর্ক নয়, বরং এআই-এর অনিয়ন্ত্রিত গতিকে সম্পূর্ণ থামিয়ে দেওয়ার দাবি এখন জোরাল হচ্ছে।
2
10
প্রযুক্তি জগতের অন্দরের পরিস্থিতি কতটা আশঙ্কাজনক, তা স্পষ্ট হচ্ছে প্রথম সারির বিজ্ঞানীদের একের পর এক পদত্যাগে।
3
10
সম্প্রতি অ্যানথ্রপিক থেকে জেকব কক্সন পদত্যাগ করার পর, এ বার গুগলের ‘ডিপমাইন্ড এজিআই সেফটি টিম’ থেকে ইস্তফা দিলেন প্রখ্যাত গবেষক জশ এঙ্গেলস।
4
10
তিন সপ্তাহ আগে কাজ ছাড়ার পর এক্স-হ্যান্ডেলে জশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে জানান, এআই-এর মাধ্যমে ঝুঁকির মাত্রা এখন বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে।
5
10
গুগলের কাজ ছেড়ে তিনি এখন 'METR' নামের একটি 'বেনামী' সংস্থায় যোগ দিয়েছেন, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সম্ভাব্য বিপদ রুখতে কাজ করে।
6
10
কিন্তু কেন এই পদত্যাগ? জশের দাবি, মানুষের চেয়েও শক্তিশালী এআই তৈরি করতে গিয়ে আসলে মানবসভ্যতাকেই বিপদের মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।
7
10
প্রযুক্তিবিদদের যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, এআই ক্রমশ তা অমান্য করছে। সাম্প্রতিক কিছু মডেলে চোখ কপালে ওঠার মতো তথ্য মিলছে- একাধিক এআই মডেল নিজেদের মধ্যে গোপনে হাত মিলিয়ে সংস্থাগুলোর সিস্টেম হ্যাক করছে, প্রমাণের চিহ্ন মুছে ফেলছে এবং কৌশলে মানুষকে প্রভাবিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
8
10
জশের স্পষ্ট বক্তব্য, "আগামী পাঁচ বছরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে বিরাট বিপর্যয় ঘটতে পারে। এটা এই মুহূর্তে পৃথিবীর জন্য সবচেয়ে বড় সঙ্কট।"
9
10
জেকব কক্সনও ইস্তফা দেওয়ার সময় সতর্ক করে বলেছিলেন, চলতি দশকের শেষেই মানুষের অস্তিত্ব শেষ করে দিতে পারে এআই।
10
10
একের পর এক গবেষকের এমন পদত্যাগ এবং ইলন মাস্ক থেকে স্যাম অল্টম্যানের মতো প্রযুক্তি-প্রধানদের বারংবার সতর্কবার্তা স্পষ্ট করে দিচ্ছে- এখনই লাগাম না টানলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই অবাধ গতিই মানবজাতির বড় ধ্বংসের কারণ হতে চলেছে।