পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার গঠনের পর প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকেই একগুচ্ছ বড় সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
2
13
এর আগে তৃণমূল সরকারের আমলে কেন্দ্রীয় সরকারের যে সমস্ত জনকল্যাণমূলক প্রকল্প রাজ্যে থমকে ছিল, সেগুলি এবার দ্রুত কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। এর মধ্যে অন্যতম বড় সিদ্ধান্ত- ‘প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনা ৩.০’-এর বাস্তবায়ন।
3
13
মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজনৈতিক কারণে এ রাজ্যে প্রায় এক কোটি মহিলার আবেদন গ্রাহক বিতরণ কেন্দ্রে আটকে রাখা হয়েছিল। নতুন সরকার ক্ষমতায় এসেই সেই সমস্ত আবেদনপত্র দিল্লির দরবারে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছে। এর ফলে বাংলার আরও লক্ষ লক্ষ দুঃস্থ মহিলা বিনামূল্যে রান্নার গ্যাসের সুবিধা পাবেন।
4
13
নতুন এই প্রকল্পের খুঁটিনাটি ও আবেদনের পদ্ধতি দেখে নিন একনজরে।
5
13
দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী মহিলারা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে নতুন এলপিজি গ্যাস কানেকশন পাবেন। এর জন্য কোনও টাকা দিতে হবে না। কেউ টাকা দাবি করলে সরাসরি সরকারি দপ্তরে অভিযোগ জানানো যাবে।
6
13
নতুন কানেকশনের সঙ্গে একটি গ্যাস সিলিন্ডার ও একটি ওভেন বিনামূল্যে দেওয়া হবে।
7
13
বছরে মোট ১২টি সিলিন্ডারে ছাড় মিলবে। প্রতিবার সিলিন্ডার রিফিল বা ভরার সময় গ্রাহকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৩০০ টাকা করে ভর্তুকি দেবে কেন্দ্র।
8
13
মনে রাখা জরুরি, আবেদনকারীকে অবশ্যই মহিলা হতে হবে।
প্রার্থীর বয়স ১৮ বছর বা তার বেশিহওয়া আবশ্যক।আবেদনকারীকে অবশ্যই বিপিএল তালিকাভুক্ত পরিবারের সদস্য হতে হবে।
9
13
ওই মহিলার নামে আগে থেকে অন্য কোনও সরকারি এলপিজি কানেকশন থাকা চলবে না।
10
13
আবেদন করার জন্য যে সমস্ত কাগজপত্রের প্রয়োজন হবে, সেগুলি হলো - পরিচয় ও ঠিকানার প্রমাণপত্র হিসেবে আধার কার্ড, রেশন কার্ড অথবা বিপিএল সার্টিফিকেট, আবেদনকারীর নিজস্ব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের পাসবুক, মোবাইল নম্বর।
11
13
কীভাবে আবেদন করবেন? গ্রাহকেরা চাইলে নিকটবর্তী যেকোনও গ্যাসের ডিলার বা গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্রে গিয়ে সরাসরি আবেদন করতে পারেন। এছাড়া ঘরে বসে অনলাইনের মাধ্যমেও আবেদন করা সম্ভব।
12
13
অনলাইনে আবেদনের নিয়ম জেনে রাখাও জরুরি৷ প্রথমে প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যেতে হবে। এরপর হোম পেজে থাকা ‘পিএম উজ্জ্বলা যোজনা অনলাইন আবেদন’ (PM Ujjwala Yojana Online Application) লিঙ্কে ক্লিক করতে হবে।
13
13
এরপর স্ক্রিনে আসা ফর্মে নিজের নাম ও সমস্ত ব্যক্তিগত তথ্য নির্ভুলভাবে পূরণ করতে হবে। ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে আধার নম্বর ও ওটিপি যাচাইয়ের জন্য আপনার বর্তমান মোবাইল নম্বর দিতে হবে। সবশেষে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর এবং আইএফএসসি কোড দিয়ে ফর্মটি জমা বা সাবমিট করতে হবে।