হাজার ব্যস্ততার মাঝেও ৭৬-এ এত ফিট নরেন্দ্র মোদি! যোগাসন থেকে ডায়েট, প্রধানমন্ত্রীর ফিটনেস রুটিন জানেন?
নিজস্ব সংবাদদাতা
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২ : ৩১
শেয়ার করুন
1
12
৭৬ বছর বয়সেও ব্যস্ততায় ভরা জীবন। একের পর এক বৈঠক, সফর, প্রশাসনিক কাজ-সব সামলে সক্রিয় থাকেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ ৭৬ বছরে পা দিয়েছেন তিনি।
2
12
মোদির এই সক্রিয় জীবনযাত্রার নেপথ্যে রয়েছে বেশ কিছু নিয়মিত অভ্যাস। যোগাসন, শরীরচর্চা, পরিমিত খাবার এবং নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন তাঁর দৈনন্দিন রুটিনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
3
12
নরেন্দ্র মোদির ফিটনেস রুটিনে যোগের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে তিনি নিজেই নিয়মিত যোগাভ্যাসের কথা জানিয়েছেন।
4
12
২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের বার্তাতেও তিনি বলেন, নিয়মিত যোগ শরীরকে সুস্থ, মনকে শান্ত এবং জীবনকে ভারসাম্যপূর্ণ রাখতে সাহায্য করে। তাঁর কাছে যোগ শুধুমাত্র শরীরচর্চা নয়, বরং দৈনন্দিন জীবনের একটি অংশ।
5
12
প্রায় ৪০ মিনিট যোগাভ্যাসের করেন প্রধানমন্ত্রী বজ্রাসন, সেতুবন্ধাসন, ভুজঙ্গাসন এবং উত্তানপাদাসনের মতো কয়েকটি আসন তাঁর রুটিনের থাকে।
6
12
যোগের পাশাপাশি প্রতিদিন হাঁটার উপরও গুরুত্ব দেন মোদি। সকালে ব্যায়ামের পর ঘাসের উপর হাঁটতেও পছন্দ করেন।
7
12
মোদির খাদ্যাভ্যাস নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা রয়েছে। তিনি নিরামিষ খাবার খান এবং কোনও নির্দিষ্ট ‘ম্যাজিক ডায়েট’-এর কথা বলেন না।
8
12
প্রয়োজন ও পছন্দ অনুযায়ী সুষম খাবার খাওয়ার উপর জোর দেওয়ার কথা উঠে এসেছে। হালকা খাবার দিয়ে দিনের শুরু করেন বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
9
12
এক সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, রাতে নরেন্দ্র মোদি প্রায় সাড়ে ৩ ঘণ্টা ঘুমোন এবং সন্ধে ৬টার পর আর খাবার খান না।
10
12
প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপবাস শুধু খাবার না খাওয়া নয়, বরং আত্মনিয়ন্ত্রণ ও আধ্যাত্মিক অনুশীলনের অংশ।প্রায় ৫০-৫৫ বছর ধরে এই অভ্যাস প্রধানমন্ত্রীর জীবনের অংশ।
11
12
দীর্ঘ কর্মঘণ্টার মধ্যেও শরীরকে সক্রিয় রাখার চেষ্টা করেন মোদি। যোগ বা ব্যায়ামের পাশাপাশি হাঁটা তাঁর নিয়মিত শারীরিক কার্যকলাপের অংশ। তাঁর জীবনযাপনে শৃঙ্খলা এবং নির্দিষ্ট রুটিনের গুরুত্বও বারবার উঠে এসেছে।
12
12
৭৬ বছর বয়সেও সক্রিয় থাকার ক্ষেত্রে কোনও একক ‘ফিটনেস মন্ত্র’-এর বদলে নিয়মিত শরীরচর্চা, যোগ, পরিমিত খাবার এবং শৃঙ্খলাবদ্ধ জীবনযাপনই তাঁর রুটিনের মূল বৈশিষ্ট্য হিসেবে সামনে আসে।