বাংলার গর্ব ফুচকা। পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে রাস্তার মোড়ে মোড়ে বিক্রি হয় ফুচকা। শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা, আট থেকে আশি, ফুচকা ভালবাসেন না এমন কেউ নেই।
2
11
এমনকী, খোঁজ নিলে দেখা যাবে পশ্চিমবঙ্গে রয়েছে একটি ফুচকাগ্রাম। এই গ্রামের ঘরে ঘরে ফুচকা তৈরি হয়। এখানকার বাসিন্দাদের এটাই পেশা।
3
11
এখানকার বাসিন্দারা হয় কেউ বিকেলে ভ্যান নিয়ে বেরিয়ে পড়েন ফুচকা বিক্রি করতে। আবার কেউ ঘরের বাইরেই বিক্রি করেন। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ এসে খেয়ে যান।
4
11
কিন্তু অবাক হওয়ার বিষয় হল এত কিছুর পরেও ফুচকার জনপ্রিয়তায় কলকাতাকে পিছনে ফেলে দিয়েছে দেশের আর এক শহর! সমীক্ষার তথ্য সামনে আসতেই শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা।
5
11
দেশজুড়ে ফুচকার হাজারও একটা নাম। কোথাও ফুচকা, কোথাও পানিপুরি, কোথাও গোলগাপ্পা, কোথাও ফুলকি আবার কোথাও পানি-বাতাসি নামেও ডাকা হয় এই জনপ্রিয় স্ট্রিট ফুডকে।
6
11
তবে অনেকেই বলে থাকেন কলকাতার মতো ফুচকার স্বাদ দেশের কোনও শহরেই নেই। কিন্তু এই সমীক্ষার তথ্য অনুযায়ী, ভারতেরই একটি শহরে ফুচকা কলকাতার থেকেও জনপ্রিয়।
7
11
পরিসংখ্যান বলছে, দেশের এই শহরটিতে একজন মানুষ দিনে গড়ে প্রায় ১৫ থেকে ২৫ প্লেট ফুচকা খেয়ে থাকেন। শহরের নানা প্রান্তে সহজেই মেলে এই মুখরোচক খাবার।
8
11
স্কুল-কলেজের সামনে ছোট ঠেলাগাড়ি হোক কিংবা ব্যস্ত স্টেশন চত্বর, সর্বত্রই দেখা যায় ফুচকার দোকান। বাজার থেকে শপিং মল সব এলাকাতেই এর চাহিদা যথেষ্ট।
9
11
এখন চালু হয়েছে ফুচকার সঙ্গে ফিউশন। এমনিতে, তেঁতুলের মিষ্টি-টক জল, পুদিনা ও রসুনের ঝাঁঝালো স্বাদ তো ছিলই। এখন চিজ-চকোলেট-চিকেন দিয়ে ফুচকা পাওয়া যায়।
10
11
স্বল্প খরচে দ্রুত খাওয়া যায়, স্বাদে রয়েছে বৈচিত্র্য, আর শহরের প্রায় সর্বত্রই মেলে। ফলে, জনপ্রিয়তা এতটাই বেশি যে এই দৌড়ে কলকাতাকে টপকে গিয়েছে মুম্বই।
11
11
এর জেরেই পশ্চিম ভারতের এই শহরটিকে নাম দেওয়া হয়েছে ‘ফুচকার রাজধানী’। বঙ্গবাসীরা কি এই সমীক্ষার সঙ্গে একমত হবেন আদৌ?