তরতরিয়ে বাড়ছে মৃত্যু সংখ্যা। খোঁজ নেই এখনও বহু মানুষের। কেউ ঘরছাড়া, কেউ স্বজনহারা। হড়পা বান নেমে তছনছ করে দিয়েছে গোটা নেপালকে।
2
7
আরও হড়পার আশঙ্কা বুকে নিয়ে প্রহর গুনছে নেপাল। আরও বন্যার আশঙ্কা একাধিক এলাকায়। হাসপাতালগুলিতে উপচে পড়ছে ভিড়। চলছে দেহ শণাক্তকরণের প্রক্রিয়া। কিন্তু, নেপালের জন্য কি এই কঠিন সময়ে অপেক্ষা করে আছে আরও বড় বিপদ! সামান্য ভুলেই ঘটতে পারে যা কিছু?
3
7
নেপালের সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে তেমনই আশঙ্কা প্রকাশ পেয়েছে। ২৬ আগস্ট রাসুওয়ায় বন্যার পর সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করে নাওয়ালপুরের প্রাদেশিক জনস্বাস্থ্য কার্যালয় সাত দফা নির্দেশনা জারি করেছে।
4
7
আর তাতেই বাড়ছে চিন্তা। সেখানে স্পষ্ট সতর্ক করা হয়েছে, বন্যার তোড়ে ভেসে আসা মানুষের মৃতদেহ, গবাদি পশু ও অন্যান্য প্রাণীর দেহাবশেষ থেকে বিভিন্ন সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কার কথা।
5
7
দূষিত নদী ও জলাশয় থেকে ধরা মাছ বা অন্যান্য জলজ প্রাণী না খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। এছাড়া দূষিত পানিতে সাঁতার না কাটা এবং সেখানকার জল ব্যবহার করার আগে বিশুদ্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কারণ দূষিত জল থেকে আমাশয়, কলেরাও, টাইফয়েড এবং হেপাটাইটিস এ ও ই-এর মতো জলবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার প্রবল আশঙ্কা।
6
7
জনসাধারণকে ভালোভাবে রান্না করা খাবার খাওয়ার এবং কাঁচা খাবার ও রান্না করা খাবার আলাদা রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, বন্যার জলে ডুবে থাকা কিংবা দূষিত, পচা বা দুর্গন্ধযুক্ত খাবার না খাওয়ার নির্দেশও দএয়া হয়েছে, তেমনটাই উল্লিখিত ওই প্রতিবেদনে।
7
7
বন্যার পর ডেঙ্গু ও জাপানি এনসেফালাইটিসের মতো মশাবাহিত রোগ এবং সাপের কামড়ের ঝুঁকি বাড়ার আশঙ্কাও প্রবল।ফলে, বাড়ির আশেপাশে জল জমতে না দেওয়া, মশারি ব্যবহার করা, লম্বা হাতার পোশাক পরা, রাতে চলাচলের সময় টর্চলাইট সঙ্গে রাখা এবং ঘুমনোর আগে অবশ্যই বিছানা ও সংলগ্ন এলাকা স্পষ্ট করে দেখে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।