বর্তমানে টাকা অনেকেই উপার্জন করেন। কিন্তু খরচসাপেক্ষ জীবনযাপন করে সঞ্চয় করাটাই আসল চ্যালেঞ্জ। অনেক সময় মাসের শেষে টাকা ফুরিয়ে যায় এবং ভবিষ্যতের জন্য কিছুই অবশিষ্ট থাকে না। এর মূল কারণই হল সঞ্চয়ের পরিকল্পনার অভাব।
2
7
সঞ্চয় যেকোনও জরুরি পরিস্থিতিতে সাহায্য করে। সঞ্চয় করলে অসুস্থতা বা অন্য কোনও অপ্রত্যাশিত ব্যয়ের ক্ষেত্রে অন্য কারও উপর নির্ভর করতে হয় না। পাঁচটি সহজ ধাপ রয়েছে যাতে খুব সহজে সঞ্চয় করা যেতে পারে।
3
7
প্রথমত, কীসের জন্য সঞ্চয় করা হচ্ছে তা আগে ঠিক করে নিয়ে এগোতে হবে। স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি এং দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য অনুযায়ী সঞ্চয় করতে পারলেই ভাল। ১-৩ বছরে গাড়ির জন্য ডাউন পেমেন্ট করা, ৩-৫ বছরে বাড়ি কেনার জন্য সঞ্চয় করার লক্ষ্য নিয়ে এগোনো উচিত।
4
7
২. নিজেদের খরচের হিসেব রেখে কেউ এগোতে পারলে তবেই ঠিকমতো সঞ্চয় করা সম্ভব। বাজেট তৈরি করতে পারলে আরও ভাল।
5
7
৩. কোনও মাসে সঞ্চয় করলাম, কোনও মাসে করলাম না, এমন ভাবলে চলবে না। প্রত্যেক মাসে সঞ্চয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে এগোতে হবে। বেতন পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সঞ্চয় এবং বিনিয়োগের জন্য টাকা আলাদা করে রাখলে ভাল।
6
7
৪. বড় বিনিয়োগের জন্য আলাদা আলাদা অ্যাকাউন্ট করলে ভাল। তাতে একে অপরের সঙ্গে মিশে যাবে না, হিসেব রাখতে সুবিধা হবে। বিনিয়োগ এবং সঞ্চয়ের পরিষ্কার হিসেব থাকবে।
7
7
৫. কিছু সময় অন্তর নিজেদের সঞ্চয়ের স্কিম ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখতে হবে। আয় বা ব্যয়ে কোনও পরিবর্তন হয়েছে কি না দেখতে হবে। প্রয়োজন অনুসারে পরিকল্পনা পরিবর্তন করতে হবে।