শীতকাল এলেই অনেকের পেটের সমস্যা, গ্যাস-অম্বল, কোষ্ঠকাঠিন্য, ঠান্ডা লাগা বা বারবার অসুস্থ হয়ে পড়ার প্রবণতা বেড়ে যায়।
2
10
আসলে শীতের আবহাওয়ায় সক্রিয় হয়ে ওঠে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া। বিশেষ করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকলে বিপদ আরও বাড়ে। তাই এই সময়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ঠিক রাখা খুবই জরুরি।
3
10
শীতের ডায়েটে কয়েকটি খাবার রাখলে অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা কম থাকবে। ঠান্ডার মরশুমের এমনই তিনটি সেরা খাবারের বিষয়ে জেনে নিন-
4
10
মিলেট বা বাজরাঃ শীতের জন্য সবচেয়ে উপযোগী খাবারগুলোর মধ্যে অন্যতম হল মিলেট, বিশেষ করে বাজরা। শরীরের ভেতরে প্রাকৃতিক উষ্ণতা তৈরি করে এই শস্য, যা ঠান্ডার সময়ে খুবই দরকারী। এতে প্রচুর ফাইবার থাকে, ফলে হজম ভাল হয় এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমে।
5
10
বাজরা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে, ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমে। শীতে রুটি, খিচুড়ি বা দোসার আকারে বাজরা খাওয়া যেতে পারে। নিয়মিত বাজরা খেলে মেটাবলিজমও বাড়ে।
6
10
আমলকিঃ আমলকি হল প্রাকৃতিক ভিটামিন সি-এর ভাণ্ডার। শীতকালে সর্দি-কাশি, সংক্রমণ ও দুর্বলতা থেকে বাঁচতে আমলকি খুবই উপকারী। প্রতিদিন একটি আমলকি বা এক গ্লাস আমলকির রস খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটাই বেড়ে যায়।
7
10
চিকিৎসকদের মতে, আমলকি পেটের ভেতরের আস্তরণ ভাল রাখে এবং হজমে সাহায্য করে। এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিড্যাান্ট শরীরের প্রদাহ কমায় এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্য ঠিক রাখে। কাঁচা আমলকি, আমলকির চাটনি বা রস, যে কোনওভাবে এটি ডায়েটে রাখা যেতে পারে।
8
10
তিলঃ শীত মানেই তিলের লাড্ডু বা তিলের নাড়ু। তিল শুধু স্বাদেই ভাল নয়, গুণেও ভরপুর। তিলে রয়েছে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম, যা শরীরকে শক্তি দেয় এবং হাড় ও জয়েন্ট ভাল রাখে।
9
10
তিল শরীরকে ভেতর থেকে গরম রাখে এবং শীতের সময় মেটাবলিজম ঠিক রাখতে সাহায্য করে। গ্যাস বা হজমের সমস্যাও অনেকটা কমায়। তিল ভাজা করে, লাড্ডু বানিয়ে বা রান্নায় ব্যবহার করা যেতে পারে।
10
10
শীতে সুস্থ থাকতে ও বারবার অসুস্থ হওয়া এড়াতে ডায়েটের দিকে একটু বেশি নজর দেওয়া দরকার। বাজরা, আমলকি ও তিল- এই তিনটি খাবার নিয়মিত খেলে পেট ভাল থাকে, ইমিউনিটি বাড়ে এবং শরীরের মেটাবলিজমও ঠিক থাকে। শীতের দিনে সুস্থ থাকতে খাবারই হতে পারে আপনার সবচেয়ে বড় ওষুধ।