প্রতিদিন সকালে উঠে সূর্যকে আমরা অতি সহজেই দেখি। তবে বিগত ১১ বছরে তার তেজ যে কতটা বেড়েছে সেটা দেখি না।
2
8
বিগত ১১ বছরে সূর্যদেবের চরিত্রের বিরাট বদল ঘটেছে। এই বদল পৃথিবীর পক্ষে মোটেই সুখকর নয়।
3
8
নাসার বিজ্ঞানীরা মনে করছেন সৌরঝড়ের পরিমান প্রতিদিন বাড়ছে। এরফলে সবথেক আগে ক্ষতিগ্রস্ত হবে মহাকাশের স্যাটেলাইট এবং মহাকাশচারীরা।
4
8
নাসা মনে করছে যত বেশি সৌরঝড় তৈরি হবে ততই পৃথিবীর পক্ষে তার সুখকর হবে না। সৌরঝড় তৈরির সময় যে চৌম্বকীয় তরঙ্গ তৈরি হয় তাতে মহাকাশে বিরাট সমস্যা তৈরি হবে।
5
8
যদি সৌরঝড় তার সর্বোচ্চ সীমাতে চলে যায় তাহলে পৃথিবীর শেষ হতে সময় লাগবে কয়েক মিনিট। তবে সেদিন আসতে এখনও বাকি রয়েছে।
6
8
এটি একটি ইনজেকশনের মতো। যার প্রভাবে পৃথিবী সহ বাকি গ্রহরা বেশ ভালমতোই ভোগ করবে। কেউ রক্ষা পাবে না।
7
8
প্রতিদিন ধরে সূর্যের বুকে তৈরি হচ্ছে নিত্যনতুন ঝড়। এটি তার শক্তিকে বাড়িয়েছে আবার কমিয়ে দিয়েছে। পৃথিবী থেকে সূর্যের যে দূরত্ব রয়েছে তাতে এই ঝড় আসবে বেশি সময় লাগবে না।
8
8
যেসব মহাকাশচারীরা পৃথিবীর বাইরে রয়েছেন তারা এর প্রভাব সবার আগে টের পাবেন। তাই সেখান থেকে তাদের পৃথিবীতে ওয়াপসি হলেই বিষয়টি দ্রুত স্পষ্ট হয়ে যাবে।