তীব্র দাবদাহে শরীর ঠান্ডা রাখতে আমাদের রান্নাঘরের সাধারণ কিছু মশলা জাদুর মতো কাজ করতে পারে।
2
12
এমন কয়েকটি মশলা রয়েছে যা কেবল খাবারের স্বাদ বাড়ায় না, শরীরের আভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা কমিয়ে ভেতর থেকে সতেজ রাখে।
3
12
মৌরিঃ মৌরিকে বলা হয় প্রাকৃতিক ‘কুল্যান্ট’। এটি শরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখতে সবচেয়ে কার্যকরী। মৌরি শুধু মুখশুদ্ধি হিসেবেই নয়, হজম শক্তি বাড়াতে এবং অ্যাসিডিটি কমাতেও সাহায্য করে।
4
12
এক গ্লাস জলে ১ চামচ মৌরি সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। সকালে জলটি ছেঁকে সামান্য মিছরি মিশিয়ে পান করুন। এটি রোদে বেরনোর আগে শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করবে।
5
12
পুদিনাঃ পুদিনার সতেজ ঘ্রাণ এবং এতে থাকা মেন্থল তৎক্ষণাৎ শরীরকে শীতল করে। এটি রক্ত পরিষ্কার রাখতে এবং ত্বকের জ্বালাপোড়া কমাতেও সাহায্য করে।
6
12
টাটকা পুদিনা পাতা বেটে শরবত তৈরি করতে পারেন। এ ছাড়া দইয়ের ঘোল বা ঘোলের মধ্যে পুদিনা পাতা কুচি এবং বিটনুন মিশিয়ে খেলে পেটের সমস্যা দূর হয় এবং শরীর ঠান্ডা থাকে।
7
12
ধনেঃ ধনের ঠান্ডা গুণাগুণ আয়ুর্বেদ শাস্ত্রেও স্বীকৃত। গরমের কারণে যাদের শরীরে খুব বেশি ঘাম বা প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া হয়, তাদের জন্য ধনে অত্যন্ত উপকারী।
8
12
ধনে বীজ হালকা করে থেঁতো করে জলে ভিজিয়ে রাখুন। ৫-৬ ঘণ্টা পর সেই জলটি ছেঁকে পান করুন। এটি ডিহাইড্রেশন রুখতে সাহায্য করে। রান্নায় ধনে পাতার ব্যবহারও এই সময়ে খুব আরামদায়ক।
9
12
জিরেঃ জিরে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে এবং ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে টক্সিন বের করে দিতে সাহায্য করে। এটি গরমকালে হজমের গণ্ডগোল মেটাতে সেরা ওষুধ।
10
12
জিরে জল বানিয়ে খাওয়া সবচেয়ে ভাল। এক লিটার জলে এক চামচ জিরে ফুটিয়ে নিন। জলটি ঠান্ডা করে সারা দিন অল্প অল্প করে পান করুন। এটি শরীরকে জলশূন্য হতে দেয় না।
11
12
ছোট এলাচঃ এলাচ কেবল সুগন্ধি নয়, এটি একটি প্রাকৃতিক ডিটক্স উপাদান। এটি শরীর থেকে অতিরিক্ত গরম বের করে দেয় এবং হজম প্রক্রিয়াকে শান্ত রাখে।
12
12
এলাচ গুঁড়ো করে শরবত বা লেবু জলের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন। এছাড়া রাতের বেলা দুধে একটি এলাচ ফুটিয়ে ঠান্ডা করে খেলে শরীরে প্রশান্তি আসে।