আমরা সকলেই বিনিয়োগের আগে বেশ কিছু সময় চিন্তাভাবনা করি। কোথায় বিনিয়োগ করলে টাকা নিরাপদ থাকবে। কোথায় বিনিয়োগ করলে রিটার্ন ভাল পাওয়া যাবে। নিশ্চিন্তে দিন কাটানো যাবে।
2
9
বিনিয়োগের প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা। আচমকা আর্থিক সঙ্কটের পরিস্থিতি এড়িয়ে যাওয়া। যদি আপনি বেশি চিন্তা না করে বা খুব কম কাজ করে সহজে আয় করতে চান, তাহলে এই সাতটি স্মার্ট ইনভেস্টমেন্ট অপশনের সন্ধান রইল আপনাদের জন্য।
3
9
ফিক্সড ডিপোজিট: সবচেয়ে নিরাপদ আয়ের পথ। যে কোনও সরকারি বা বেসরকারি ব্যাঙ্কেই ফিক্সড ডিপোজিট করা যায়। সময়ভেদে ৬.৫ থেকে ৮.৫ শতাংশ পর্যন্ত সুদ দিয়ে থাকে ব্যাঙ্কগুলি। এফডি করার সময় করার সময় ‘Monthly Payout’ বিকল্প বেছে নিলে মাসে মাসে নির্দিষ্ট টাকা আয় সম্ভব।
4
9
পোস্ট অফিস এমআইএস: পোস্ট অফিস মান্থলি ইনকাম স্কিম একটি নিরাপদ, সরকার-সমর্থিত সঞ্চয়ী অ্যাকাউন্ট, বিনিয়োগকারীর এককালীন অর্থ বিনিয়োগ করে বার্ষিক ৭.৪% হারে একটি স্থির মাসিক সুদ পেতে পারেন। এর মেয়াদ ৫ বছর এবং একা সর্বোচ্চ ৪.৫ লক্ষ বা যৌথভাবে ক্ষেত্রে ৯ লক্ষ টাকা রাখা যায়। কেন্দ্র নির্দিষ্ট হারে প্রতি মাসে সুদের টাকা আপনার অ্যাকাউন্টে জমা করে।
5
9
সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিম: এই প্রকল্প শুধু প্রবীণ নাগরিকদের জন্য তৈরি। এতে প্রতি তিন মাস অন্তর সুদের টাকা দেওয়া হয়। কর ছাড়ের সুবিধাও মেলে।
6
9
মিউচুয়াল ফান্ড এসডব্লিউপি: মিউচুয়াল ফান্ডের এই বিনিয়োগ পদ্ধতিতে বিনিয়োগকারীরা প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা তুলতে পারবেন। বাকি টাকা বাড়তে থাকবে ধীরে ধীরে।
7
9
ডিভিডেন্ড স্টকস: এই সব স্টকে বিনিয়োগ করলে সংস্থাগুলি তাদের লভ্যাংশ বিনিয়োগকারী বা শেয়ারহোল্ডারদের দিয়ে থাকে। সাধারণত বড় ও স্থিতিশীল কোম্পানিগুলিই বেশি ডিভিডেন্ড দেয়।
8
9
কর্পোরেট বন্ডস: এই সব বন্ডে বিনিয়োগ মানে আপনি কোনও বেসরকারি সংস্থাকে ঋণ দিচ্ছেন। এর বদলে কোম্পানি আপনাকে ব্যাঙ্কের ফিক্সড ডিপোজিটের তুলনায় বেশি সুদ দিতে পারে।
9
9
রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টমেন্ট ট্রাস্ট: এর মাধ্যমে আবাসন শিল্পে বিনিয়োগ করা যায়। কোনও জমি বা বাড়ি না কিনেই সহজে আয় করা যায়।