মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েই শুভেন্দু অধিকারী জানিয়ে দিয়েছিলেন, এবার একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্প যুক্ত হবে বাংলার সঙ্গে। তার মধ্যে অবশ্যই অন্যতম পিএম বিশ্বকর্মা। কী এই প্রকল্প? কারা পেতে পারেন এই প্রকল্পের সুবিধা? কীভাবেই বা করতে হয় আবেদন?
2
6
প্রথমেই উল্লেখ্য, প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকের পরে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'বিশ্বকর্মা যোজনায়, আমাদের যাঁরা বিশ্বকর্মা আছেন, হাতের কাজ করেন, আমাদের কামার-কুমোর-স্বর্ণকার-মালাকার থেকে তাঁতি-নাপিত সবাই, যাঁরা আট লক্ষ ৬৫ হাজার আবেদন করে রেখেছিলেন, কেন্দ্রের কাছে তাঁদের নাম পাঠাবে নয়া সরকার।' সঙ্গেই পূর্বতন সরকারকে কাঠগড়ায়ও তোলেন তিনি। এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, ভোট-মুখী বাংলায় নির্বাচনী প্রচারে গেরুয়া শিবিরের শীর্ষ নেতাদের মুখে এই প্রকল্পের কথা উঠে এসেছিল।
3
6
কারা পাবেন এই প্রকল্পের সুবিধা? এই প্রকল্পের সূচনা হয় মূলত ২০২৩ সালে।
এই প্রকল্পে উল্লিখিত ১৮টি পরিবার-ভিত্তিক ঐতিহ্যবাহী পেশার মধ্যে কোনো একটিতে অসংগঠিত খাতে স্ব-কর্মসংস্থানের ভিত্তিতে নিযুক্ত, হাতে ও যন্ত্রপাতির সাহায্যে কর্মরত কোনও কারিগর বা শিল্পী পিএম বিশ্বকর্মা প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।
4
6
প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য, আবেদনকারীর বয়স হতে হবে ন্যূনতম ১৮।
আবেদনের সময় আবেদনকারীকে সংশ্লিষ্ট পেশায় নিযুক্ত থাকতে হবে এবং তার আগের ৫ বছরের মধ্যে স্ব-কর্মসংস্থান/ব্যবসা উন্নয়নের জন্য কেন্দ্রীয় বা রাজ্য সরকারের অনুরূপ ঋণ-ভিত্তিক প্রকল্প, যেমন—পিএমইজিপি, পিএম স্বনিধি, মুদ্রা, ইত্যাদির অধীনে কোনও ঋণ গ্রহণ করে থাকলে চলবে না।
5
6
কীভাবে আবেদন করতে হবে? গ্রাহককে তাঁর পঞ্চায়েত বা পুরসভায় গিয়ে নিজের আধার কার্ডের ওটিপি এবং আঙুলের ছাপ ব্যবহার করে রেজিস্টার করতে হবে।
নির্দিষ্ট ফর্ম পূরণ করে, জমা দিতে হবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র।
6
6
সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে, নির্দিষ্ট পোর্টাল থেকে ডিজিটাল আইডি কার্ড এবং সার্টিফিকেট নিতে পারবেন ।