মঙ্গলবার রোহরিতে একটি জল শোধনাগার পরিদর্শন শেষে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী নাসির শাহ সাংবাদিকদের এই আশঙ্কার কথা জানান। তিনি বলেন, যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে জ্বালানি সংকট ভয়াবহ রূপ নিতে পারে, তাই আগাম সতর্কতা হিসেবে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে। ছবি: সংগৃহীত
3
6
ইতিমধ্যে ফেডারেল সরকারের ব্যয় সংকোচন নীতির সঙ্গে সংগতি রেখে সিন্ধু প্রদেশ বেশ কিছু জরুরি ব্যবস্থা কার্যকর করেছে। ১৬ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সব স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে এবং কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
4
6
এছাড়া জ্বালানি সাশ্রয় করতে সরকারি কর্মকর্তাদের অফিসের কাজ শুক্রবার বাড়িতে বসে (ওয়ার্ক ফ্রম হোম) করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং সরকারি গাড়ির তেলের বরাদ্দ এক ধাক্কায় ৬০ শতাংশ কমিয়ে আনা হয়েছে। সামাজিক অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রেও কঠোরতা বজায় রাখা হচ্ছে; বিয়ে বা যে কোনও অনুষ্ঠানে অতিথির সংখ্যা ২০০ জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা এবং কেবল এক পদের খাবার পরিবেশনের নিয়ম বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
5
6
মন্ত্রী নাসির শাহ সতর্ক করে দিয়ে বলেন, যুদ্ধের ফলে জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে এর সরাসরি প্রভাব পড়বে নিত্যপণ্যের বাজারে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জনগণকে অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত পরিহার করে পেট্রোল ও গ্যাস সাশ্রয় করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে স্মার্ট লকডাউনের চূড়ান্ত রূপরেখা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
6
6
ধারণা করা হচ্ছে, কোভিড-১৯ মহামারীর মতো আবারও নির্দিষ্ট এলাকায় যাতায়াত সীমিত করা এবং গণপরিবহন নিয়ন্ত্রণের মতো কঠিন সিদ্ধান্ত আসতে পারে। পরিস্থিতি বিবেচনায় নাগরিকদের সচেতন হওয়ার বিকল্প নেই বলে মনে করছে সিন্ধু সরকার। ছবি: সংগৃহীত