আসন্ন ১ নভেম্বর থেকে রান্নার গ্যাস এবং বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহারের ক্ষেত্রে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম ও দাম পর্যালোচনার দিকে নজর রাখতে হবে সাধারণ গ্রাহকদের।
2
8
তেল বিপণন সংস্থাগুলি প্রতি মাসের শুরুতেই বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দামের পর্যালোচনা করে থাকে, যা হোটেল ও রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। তবে গৃহস্থালির ১৪.২ কেজির রান্নার গ্যাসের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে নিয়মের কড়াকড়িতে।
3
8
ভর্তুকিযুক্ত রান্নার গ্যাস পেতে হলে আধার নির্ভর বায়োমেট্রিক ই-কেওয়াইসি (e-KYC) সম্পন্ন করা এখন বাধ্যতামূলক। যাঁরা এখনও পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেননি, তাঁদের অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট গ্যাস সংস্থার অফিশিয়াল অ্যাপ—যেমন ইন্ডিয়ান অয়েলের ‘IndianOil ONE’, ভারত পেট্রোলিয়ামের ‘HelloBPCL’ বা এইচপি গ্যাসের ‘HP PAY’ ব্যবহার করে কিংবা সরাসরি ডিস্ট্রিবিউটর বা ডেলিভারি কর্মীর মাধ্যমে এটি করিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
4
8
যারা এই বায়োমেট্রিক যাচাইকরণ করাবেন না, তাঁদের ভর্তুকিযুক্ত সিলিন্ডার বুকিং সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এমন গ্রাহকদের ক্ষেত্রে কেবল বাজারমূল্যে ভর্তুকিহীন ছোট ৫ বা ১০ কেজির সিলিন্ডার কেনার সুযোগ থাকতে পারে। তবে যারা আগেই এই প্রক্রিয়া শেষ করেছেন, তাঁদের নতুন করে কিছু করতে হবে না।
5
8
এর পাশাপাশি সিলিন্ডার বুকিংয়ের নিয়মেও সময়ের নির্দিষ্ট ব্যবধান বেঁধে দেওয়া হয়েছে। শহর বা গ্রাম নির্বিশেষে সাধারণ গ্রাহক এবং উজ্জ্বলা যোজনার সুবিধাভোগীদের জন্য একটি রিফিল বুক করার পর পরবর্তী বুকিংয়ের মধ্যে অন্তত ২৫ দিনের ব্যবধান রাখা হয়েছে, যাতে গ্যাসের অপব্যবহার বা কালোবাজারি রোখা যায়।
6
8
গ্রাহকরা সংশ্লিষ্ট সংস্থার আইভিআরএস নম্বর, মিসড কল বা হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটবটের মতো ডিজিটাল মাধ্যমের সাহায্যেই সহজেই বুকিং করতে পারবেন।
7
8
এদিকে পেট্রোপণ্যের নতুন নিয়মকানুন এবং বাড়তি কাজের চাপের প্রেক্ষিতে কমিশন বৃদ্ধির দাবিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরদের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ দানা বাঁধছে।
8
8
ডিস্ট্রিবিউশন ফি বৃদ্ধির দাবিতে কিছু সংগঠন ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি দিলেও বহু সংগঠন আবার পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের সঙ্গে আলোচনার পথেই সমস্যা মেটাতে আগ্রহী। তবে মাস শুরুর আগে সাধারণ উপভোক্তাদের হয়রানি এড়াতে সময়মতো আধার যাচাইকরণ সেরে নেওয়ার দিকেই বাড়তি জোর দেওয়া হচ্ছে।