বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া গভীর নিম্নচাপটি শক্তি বাড়িয়ে আরও সংহত হচ্ছে। এর প্রভাবে ইতিমধ্যেই উপকূলের সমুদ্র উত্তাল হতে শুরু করেছে এবং আছড়ে পড়ছে বিশালাকার ঢেউ।
2
7
অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশা উপকূলে এই দুর্যোগের সরাসরি প্রভাব পড়ার জোরালো সম্ভাবনা থাকলেও, বাংলাতেও আবহাওয়ার মেজাজ দ্রুত বদলাতে চলেছে।
3
7
আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ সোমবার সপ্তাহের শুরুতেই আকাশ মূলত শুষ্ক ও পরিষ্কার থাকলেও মঙ্গলবার, অর্থাৎ ২৭ অক্টোবর থেকেই দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় আবহাওয়ার রূপ বদলাতে শুরু করবে।
4
7
মঙ্গলবার থেকে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই মেদিনীপুর, দুই ২৪ পরগনা ও ঝাড়গ্রামে মেঘলা আকাশের পাশাপাশি হালকা থেকে মাঝারি বা বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
5
7
উপকূলীয় জেলাগুলোতে বইতে পারে দমকা হাওয়া, যার গতিবেগ ঘণ্টায় ৭০ থেকে ৭৫ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। বিশেষ নজরদারি ও সতর্কতা রাখা হয়েছে পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায়।
6
7
বুধবার থেকে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে। ওই দিন থেকে দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে এবং একাধিক জেলায় জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা। মৎস্যজীবীদের ইতিমধ্যেই সতর্ক থাকার বার্তা দেওয়া হয়েছে।
7
7
অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে আপাতত দুর্যোগের সরাসরি কোনও প্রভাব নেই। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং দুই দিনাজপুর ও মালদায় আবহাওয়া মূলত শুষ্কই থাকবে। কেবল পাহাড়ি দুই জেলা—দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ের উঁচু এলাকায় খুব সামান্য বৃষ্টিপাত হতে পারে। তবে মোটের ওপর দক্ষিণবঙ্গেই দুর্যোগের প্রভাব বেশি পড়তে চলেছে।