বিয়ে হয়েছে, কিন্তু এখনও হাতে নেই ম্যারেজ সার্টিফিকেট? তাহলে বিষয়টি হাল্কা ভাবে নেবেন না। বিয়ের সরকারি নথি ভবিষ্যতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কাজে প্রয়োজন হতে পারে। তাই বিয়ের পর ম্যারেজ রেজিস্ট্রেশন করিয়ে সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে রাখা জরুরি।
2
10
ম্যারেজ সার্টিফিকেট বিয়ের সরকারি প্রমাণপত্র। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের আইনি প্রমাণ হিসেবে এটি গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, পাসপোর্ট, সম্পত্তি ও উত্তরাধিকার সংক্রান্ত কাজ, ব্যাঙ্ক আমানত বা বিমার সুবিধা দাবি করার মতো ক্ষেত্রেও এটি কাজে লাগতে পারে।
3
10
স্বামী বা স্ত্রীকে বিদেশে নিয়ে যাওয়া, ভিসার আবেদন কিংবা বৈবাহিক সম্পর্কের প্রমাণ দিতে হলে ম্যারেজ সার্টিফিকেট প্রয়োজন হতে পারে। বিশেষ করে স্পাউস ভিসা বা সংশ্লিষ্ট নথিপত্রের ক্ষেত্রে এই সার্টিফিকেট গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
4
10
কোনও ব্যক্তি মারা গেলে তাঁর ব্যাঙ্ক আমানত বা জীবন বিমার সুবিধা দাবি করার সময় বৈবাহিক সম্পর্কের প্রমাণ প্রয়োজন হতে পারে। ম্যারেজ সার্টিফিকেট সেই সম্পর্কের সরকারি প্রমাণ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।
5
10
স্বামী বা স্ত্রীর সম্পত্তি, উত্তরাধিকার কিংবা সংশ্লিষ্ট আইনি প্রক্রিয়ায় বৈবাহিক সম্পর্ক প্রমাণ করার প্রয়োজন হতে পারে। সরকারি তথ্যেও বিয়ের শংসাপত্রকে সম্পত্তি এবং উত্তরাধিকার সংক্রান্ত কাজের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।
6
10
বিয়ের ধরন ও ধর্মীয় পরিচয় অনুযায়ী আলাদা আইনি ব্যবস্থা রয়েছে। হিন্দু বিবাহের ক্ষেত্রে হিন্দু বিবাহ আইন, ১৯৫৫ এবং নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে বিশেষ বিবাহ আইন, ১৯৫৪-র অধীনে রেজিস্ট্রেশন করা যায়। পশ্চিমবঙ্গে ম্যারেজ রেজিস্ট্রেশনের প্রক্রিয়া অনলাইনেও করা হয়।
7
10
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিবাহ নিবন্ধ ব্যবস্থায় অনলাইনে আবেদন, প্রয়োজনীয় নথি ও ছবি আপলোড, নির্ধারিত ফি জমা এবং রেজিস্ট্রেশনের তারিখ সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়। আবেদন যাচাইয়ের পর হিন্দু ম্যারেজ রেজিস্ট্রার রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা করেন।
8
10
বর-কনের পরিচয় ও বয়সের প্রমাণ, ঠিকানার প্রমাণ, ছবি এবং বিয়ের প্রমাণ হিসেবে বিবাহের ছবি বা নিমন্ত্রণপত্রের মতো নথি প্রয়োজন হতে পারে। পশ্চিমবঙ্গের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, আবেদনকারীদের প্রয়োজনীয় সার্টিফিকেট ও ছবি আপলোড করতে হয়।
9
10
ম্যারেজ রেজিস্ট্রেশনের সময় সাক্ষীর প্রয়োজন হতে পারে। পশ্চিমবঙ্গের হিন্দু বিবাহ নথিবদ্ধ করার প্রক্রিয়ায় বর ও কনের সঙ্গে তিনজন সাক্ষী উপস্থিত থাকেন এবং তাঁদের পরিচয়পত্র যাচাই করা হয়।
10
10
রেজিস্ট্রেশন সম্পূর্ণ হওয়ার পর বিয়ের শংসাপত্র দেওয়া হয়। পশ্চিমবঙ্গের সরকারি ব্যবস্থায় ডিজিটালি সই করা সার্টিফিকেট ই-মেলের মাধ্যমে পাঠানো হয় এবং নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় হার্ড কপিও পাওয়া যায়। তাই বিয়ের পর শুধু অনুষ্ঠানেই থেমে না থেকে সরকারি রেজিস্ট্রেশন সম্পূর্ণ করে সার্টিফিকেট নিরাপদে রেখে দিন।