৩০ মে শনিবার পড়েছে জ্যৈষ্ঠ মাসের বিশেষ পূর্ণিমা। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই পূর্ণিমা বছরের অন্যতম শক্তিশালী পূর্ণিমা হিসেবে ধরা হয়।
2
10
অনেকেই মনে করেন, এদিনে চন্দ্রদেবের আরাধনা করলে মনের কষ্ট, অশান্তি ও দুশ্চিন্তা অনেকটাই কমে যায়। বিশেষ করে যারা দীর্ঘদিন ধরে মানসিক চাপ, সংসারের সমস্যা বা ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগে ভুগছেন, তাঁদের জন্য এই দিনটি খুব শুভ বলে মনে করা হয়।
3
10
হিন্দু ধর্ম ও জ্যোতিষশাস্ত্রে চাঁদকে মানুষের মনের অধিপতি বলা হয়। আবেগ, চিন্তা, মানসিক শান্তি এবং ঘুমের ওপর চন্দ্রের প্রভাব রয়েছে বলেই বিশ্বাস করা হয়। তাই পূর্ণিমার রাতে চাঁদের পূজা বা প্রার্থনার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
4
10
ধর্মীয় মতে, ৩০ মে রাতে একটি ছোট্ট কাজ করলে চন্দ্রদেবের আশীর্বাদ পাওয়া যেতে পারে।
5
10
এই উপায়টি খুবই সহজ। রাতের আকাশে পূর্ণ চাঁদ ওঠার পর খোলা জায়গায় দাঁড়াতে হবে। তারপর হাতে সামান্য সাদা চাল নিতে হবে।
6
10
চাঁদের দিকে তাকিয়ে ভক্তিভরে বলতে হবে, 'হে চন্দ্রদেব, আমার সব চিন্তা আপনি দূর করুন। আমার অশান্তি কমান। আমার আপনার ওপর পূর্ণ বিশ্বাস রয়েছে।”
7
10
বিশ্বাস করা হয়, এই কথাগুলি মন থেকে বললে চন্দ্রদেব সন্তুষ্ট হন এবং জীবনের নেতিবাচক শক্তি ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে। অনেকেই মনে করেন, এর ফলে মানসিক শান্তি আসে এবং মন হালকা লাগে।
8
10
শুধু এই প্রার্থনাই নয়, এদিন আরও কিছু কাজ শুভ বলে ধরা হয়। যেমন সাদা রঙের পোশাক পরা, দুধ, চাল বা মিষ্টি দান করা, চাঁদের আলোয় কিছুক্ষণ বসে থাকা বা শান্ত মনে ধ্যান করা। অনেকেই পূর্ণিমার রাতে উপবাসও রাখেন। তাঁদের বিশ্বাস, এতে মন ও শরীর দুই শুদ্ধ হয়।
9
10
পূর্ণিমার উজ্জ্বল চাঁদ এমনিতেই মানুষের মনে এক ধরনের শান্ত অনুভূতি এনে দেয়। তাই এই রাতে কিছুক্ষণ নিজের সঙ্গে সময় কাটানো, নেতিবাচক চিন্তা দূরে সরিয়ে ইতিবাচক ভাবনা অনেকের পক্ষে উপকারী মনে হয়।
10
10
ভক্তি, প্রার্থনা এবং ইতিবাচক মনোভাব মানুষকে মানসিকভাবে শক্তি দেয়। তাই এই বিশেষ পূর্ণিমার রাতে বহু মানুষ চন্দ্রদেবের আশীর্বাদ পাওয়ার আশায় প্রার্থনা করেন।