করদাতাদের জন্য বড় স্বস্তির খবর। আয়কর দফতর ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষ জন্য ITR-3 ফর্মের Excel Utility ই-ফাইলিং পোর্টালে চালু করেছে। এর ফলে ব্যবসা বা পেশার সঙ্গে যুক্ত করদাতারা এখন অফলাইনে রিটার্ন প্রস্তুত করে পরে অনলাইনে আপলোড করতে পারবেন।
2
11
আয়কর দফতর সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছে যে, ITR-3-এর অনলাইন ফাইলিং এবং Excel Utility এখন সম্পূর্ণভাবে খোলা থাকছে। করদাতারা আয়কর বিভাগের ই-ফাইলিং পোর্টালে গিয়ে প্রয়োজনীয় ফর্ম ডাউনলোড করে অফলাইনে তথ্য পূরণ করতে পারবেন।
3
11
এরপর ফাইল তৈরি করে সেটি অনলাইনে আপলোড করতে হবে। তবে আপলোডের আগে সমস্ত তথ্য ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
4
11
চলতি অর্থবর্ষে ব্যক্তিগত করদাতাদের জন্য আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৩১ জুলাই ২০২৬। তবে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে ITR-3 এবং ITR-4 ব্যবহারকারী করদাতাদের জন্য সময়সীমা ৩১ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তাই শেষ মুহূর্তের ভিড় এড়িয়ে আগেভাগেই রিটার্ন প্রস্তুত করার পরামর্শ দিচ্ছেন কর বিশেষজ্ঞরা।
5
11
Excel Utility ব্যবহারের জন্য প্রথমে আয়কর বিভাগের ই-ফাইলিং পোর্টালে নিজের User ID ও Password দিয়ে লগ-ইন করতে হবে। যারা প্রথমবার রিটার্ন জমা দিচ্ছেন, তাঁদের Aadhaar, PAN এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে নিবন্ধন করতে হবে।
6
11
এরপর উপযুক্ত ITR ফর্ম ডাউনলোড করে অফলাইনে সমস্ত তথ্য পূরণ করতে হবে। সব তথ্য যাচাই করার পর ফাইল তৈরি করে সেটি ই-ফাইলিং পোর্টালে আপলোড করতে হবে। এই ব্যবস্থার ফলে ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই রিটার্ন প্রস্তুত করা সম্ভব হবে এবং পরে সুবিধামতো সময়ে তা জমা দেওয়া যাবে।
7
11
সঠিক ITR ফর্ম নির্বাচন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভুল ফর্মে রিটার্ন জমা দিলে আয়কর দফতরের পক্ষ থেকে নোটিস আসতে পারে এবং রিটার্ন প্রসেসিং বিলম্বিত হতে পারে। ITR-1 মূলত ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়, বেতন, একটি বাড়ি এবং অন্যান্য উৎস থেকে আয় থাকা বাসিন্দা ব্যক্তিদের জন্য।
8
11
ITR-2 ব্যবহার করবেন সেই ব্যক্তি বা হিন্দু অবিভক্ত পরিবার, যাঁদের ব্যবসায়িক আয় নেই কিন্তু ITR-1-এর আওতায় পড়েন না। ব্যবসা বা পেশার সঙ্গে যুক্ত এবং বিস্তারিত হিসাবপত্র সংরক্ষণ করতে হয় এমন ব্যক্তি ও HUF-দের জন্য ITR-3 প্রযোজ্য।
9
11
কর বিশেষজ্ঞদের মতে, বেতনভোগী করদাতাদের অন্তত জুনের মাঝামাঝি পর্যন্ত অপেক্ষা করে রিটার্ন জমা দেওয়া উচিত। এই তথ্য সম্পূর্ণভাবে প্রতিফলিত হতে আরও সাত থেকে দশ দিন সময় লাগে।
10
11
যদি এই আপডেট সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই রিটার্ন জমা দেওয়া হয়, তাহলে Form 26AS, AIS এবং রিটার্নের তথ্যের মধ্যে অসঙ্গতি দেখা দিতে পারে। এর ফলে আয়কর দফতরের নোটিস আসার সম্ভাবনা যেমন থাকে, তেমনই আয়কর রিফান্ড পেতেও দেরি হতে পারে।
11
11
বিশেষজ্ঞদের মতে, জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে ই-ফাইলিং পোর্টালে অতিরিক্ত চাপের কারণে প্রযুক্তিগত সমস্যা বা হিসাবগত ভুল হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই জুনের মাঝামাঝি থেকে জুলাইয়ের প্রথমার্ধের মধ্যে সমস্ত নথি মিলিয়ে সঠিক ITR ফর্মে রিটার্ন জমা দেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ এবং সুবিধাজনক সিদ্ধান্ত।