সোমবার বাজেট পেশ করার সময় অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত ঘোষণা করেন যে, মিড ডে মিলের বরাদ্দ ১০ টাকা করা হবে।
2
14
এই ঘোষণার পর স্বস্তি পেয়েছে স্কুলগুলি। পড়ুয়া পিছু গড়ে ৭ টাকায় খাবার জোগাতে হিমশিম খাচ্ছিল তারা।
3
14
অর্থমন্ত্রী আরও একটি ঘোষণা করেন যে, পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে কলকাতা পুরসভার অন্তর্গত স্কুলগুলিতে মিড ডে মিল পরিবেশন করবে ইসকন।
4
14
এরপরেই বিতর্কের সৃষ্টি হয় যে, পড়ুয়াদের নিরামিষ খাবার পরিবেশন করলে তাদের পুষ্টির কী হবে? শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মন দাবি করেন, ডিমই একমাত্র পুষ্টির উৎস নয়। পৃথিবীর বহু মানুষ নিরামিষ খেয়ে বাঁচেন।
5
14
এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠছিল যে পড়ুয়াদের পারে তাহলে কী খবর দেওয়া হবে? সেই জল্পনার নিরসন করেছেন কলকাতা ইসকনের সহ-সভাপতি রাধারমন দাস।
6
14
তিনি জানান রাজ্য অনুযায়ী খাদ্যাভ্যাসের প্রাধান্য দেখে তালিকা তৈরি করা হয়। বাংলায় ভাতের প্রচলন বেশি, তাই মিড ডে মিলের মেনুতে ভাত থাকবে।
7
14
এর পাশাপাশি কী থাকবে? তিনি জানান, রাইস তো থাকবেই। ডাল, সবজিও থাকবে। সবজির পাশাপাশি রাখা হবে ছানা, পনির, সোয়াবিন, রাজমা। খিচুড়িও দেওয়া হবে।
8
14
শুধু মাছ, মাংস, ডিমেই প্রোটিন থাকে, তেমনটা মনে করেন না রাধারমণ দাসও। তিনি জানান, ইসকন যে মিড ডে মিল তৈরি করে, তাতে পর্যাপ্ত প্রোটিন রাখা হয়। সোয়াবিন, রাজমাতেও যথেষ্ট প্রোটিন রয়েছে।
9
14
সপ্তাহের কোন দিন কী খবর থাকতে পারে? মঙ্গলবার সমাজমাধ্যমে একটি মেনুকার্ড ভাইরাল হয়। সেখানে দাবি করা হয়, সোমবার ভাত এবং সয়াবিন, মঙ্গলবার ভাত, ডাল, আলু মাখা, বুধবার পোলাও এবং মটর পনির, বৃহস্পতিবার ভাত এবং কুমড়ো চানা, শুক্রে ভাত ও পাঁচমিশালি সবজি এবং শনিবার খিচুড়ি ও পাপড় খাওয়ানো হতে পারে।
10
14
যদিও এই মেনুকার্ড সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন রাধারমন। নিজের এক্স হ্যান্ডলে তিনি জানিয়েছেন, “আমার নজরে এসেছে যে কিছু লোক কলকাতার মিড ডে মিলের একটি মেনু শেয়ার করছেন। আমি স্পষ্ট করে জানাতে চাই যে এই ধরনের কোনও মেনু চূড়ান্ত করা হয়নি এবং এই তালিকাটি আমাদের পক্ষ থেকে প্রকাশ করা হয়নি।”
11
14
তিনি আরও জানিয়েছেন, “মেনুটি চূড়ান্ত হয়ে গেলে আমরা একটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে দেব। অনুগ্রহ করে ভুল তথ্য শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন।”
12
14
ইসকন কর্তা জানিয়েছেন, এক এক দিন রকম মেনু হতে পারে। তবে খাবার ভাল পরিবেশন করা হবে। একই দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও।
13
14
বর্তমানে দেশের আটটি রাজ্যের বহু স্কুলে খবর পরিবেশন করে ইসকন। প্রায় ১২ লক্ষ পড়ুয়া সেই খাবার খায়। খাবার তৈরিতে যথেষ্ট সাবধানতা অবলম্বন করা হয় বলেও দাবি করেছেন রাধারমন।
14
14
তৃণমূল সরকারের আমলে মিড ডে মিলের খাবারের গুণগত মান নিয়ে বিস্তর অভিযোগ ছিল। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, কলকাতার স্কুলগুলির জন্য মিড-ডে মিলের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে ইসকনকে। তারাই খাওয়াবে। খেয়ে দেখুন গুণমানে ভাল।