প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী,হঠাৎ করেই শেডের একটি বিশাল অংশ হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। ঘটনাস্থলে সেই সময় ছিলেন কমপক্ষে ২ ডজনের বেশি শ্রমিক।
2
9
এই আকস্মিক বিপর্যয়ে এলাকা জুড়ে তীব্র আতঙ্ক ছড়ায় এবং উপস্থিত অন্য শ্রমিক ও স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত উদ্ধারকাজে হাত লাগান।
3
9
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, বেশ কয়েকজন শ্রমিক গুরুতর আহত হয়েছেন এবং অন্তত ২৩ জন শ্রমিক এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে রয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
4
9
বিকট শব্দ ও ধুলোর ঝড় দেখে স্থানীয়রাই প্রথম প্রশাসনকে খবর দেন। খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর বিশেষ দল।
5
9
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়েছে এবং ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে জীবিতদের সন্ধান করতে নামানো হয়েছে ক্রেন ও জেসিবি মেশিন।
6
9
ভিড় এড়াতে এবং উদ্ধারকাজ মসৃণ করতে পুলিশ ইতিমধ্যেই গোটা এলাকাটি কর্ডন বা ঘিরে ফেলেছে। নামানো হয়েছে সেনা ও এনডিআরএফের দলকেও।
7
9
এই মারাত্মক দুর্ঘটনাটি কলকাতার শিল্পাঞ্চল ও জনবসতিপূর্ণ এলাকায় নির্মাণকাজের নিরাপত্তা এবং জরুরি প্রস্তুতি নিয়ে পুনরায় বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। শেডটির নির্মাণ চলাকালীন কোনো পরিকাঠামোগত দুর্বলতা ছিল কি না, কিংবা সুরক্ষাবিধি যথাযথভাবে পালন করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
8
9
উদ্ধারকাজ শেষ হলেই ঘটনার আসল কারণ জানতে একটি বিশদ তদন্ত শুরু করা হবে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে। আপাতত হতাহতের সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত করা না গেলেও, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সর্বশেষ খবর অনুসারে আগত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে ১৩ জনকে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজে গোটা বিষয়টি মনিটরিং করছেন বলে খবর।
9
9
পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং সাধারণ মানুষের সহায়তার জন্য নবান্নের বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। কন্ট্রোল রুমের নম্বরগুলি হল: ১০৭০, ৮৬৯৭৯৮১০৭০, ০৩৩-২২১৪৩৫২৬ এবং ০৩৩-২২৫৩৫১৮৫।