সারাদিনের ক্লান্তির পর বিছানায় গা এলিয়ে দিয়েছেন। চোখ বন্ধ, কিন্তু ঘুম যেন কিছুতেই আসছে না। কখনও অকারণে মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যাচ্ছে, কখনও আবার সকালে উঠে মনে হচ্ছে, রাতভর যেন ঠিকমতো বিশ্রামই হয়নি!
2
10
এমন পরিস্থিতিতে নিজের জীবনযাত্রা, স্ট্রেস কিংবা ঘুমের অভ্যাস নিয়ে আমরা ভাবি। কিন্তু বাস্তুশাস্ত্রের মতে, সমস্যার সূত্র লুকিয়ে থাকতে পারে আপনার বিছানায়৷
3
10
বাস্তু মতে, ঘুমানোর সময় মাথা কোন দিকে রয়েছে তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে উত্তর দিকে মাথা রেখে ঘুমানো এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়। প্রচলিত বাস্তুবিশ্বাস অনুযায়ী, এই অবস্থানে ঘুমালে অস্থিরতা, অস্বস্তি কিংবা ঘুমের ব্যাঘাত তৈরি হতে পারে।
4
10
এমনকি মনও নাকি অকারণে অশান্ত হয়ে উঠতে পারে উত্তর দিকে মাথা দিয়ে ঘুমোলে৷ বাস্তু অনুসারে, দক্ষিণ দিকে মাথা রেখে ঘুমানো সবচেয়ে শুভ বলে মনে করা হয়।
5
10
বিশ্বাস করা হয়, এই দিক শরীর ও মনের মধ্যে ইতিবাচক ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং গভীর ও শান্ত ঘুমের পরিবেশ তৈরি করে।
6
10
এর পরেই আসে পূর্ব দিক। বিশেষ করে পড়ুয়া কিংবা যাঁদের কাজের সঙ্গে চিন্তাভাবনা ও সৃজনশীলতার যোগ রয়েছে, তাঁদের জন্য পূর্ব দিকে মাথা রেখে ঘুমানো শুভ বলে মনে করা হয়। বাস্তুবিশ্বাস অনুযায়ী, এটি মনকে শান্ত রাখতে এবং ইতিবাচক শক্তি বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে।
7
10
পশ্চিম দিকে মাথা রেখে ঘুমানো নিয়েও বাস্তুতে একেবারে নিষেধ নেই। তবে দক্ষিণ ও পূর্ব দিককে তুলনামূলকভাবে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।
8
10
শুধু বিছানার দিক নয়, বেডরুমের পরিবেশও নাকি ঘুমের উপর প্রভাব ফেলে। ঘর অগোছালো রাখা, বিছানার সামনে আয়না থাকা কিংবা অতিরিক্ত জিনিসপত্রে ঘর ভরে রাখা এড়ানোর পরামর্শ দেন বাস্তু বিশেষজ্ঞরা।
9
10
শান্ত, পরিচ্ছন্ন এবং পর্যাপ্ত আলো-বাতাস চলাচল করে এমন ঘর ঘুমের জন্য আদর্শ পরিবেশ তৈরি করতে পারে।
তবে এখানে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি—বাস্তুর এই ধারণাগুলি প্রচলিত বিশ্বাসের অংশ, এগুলির পক্ষে নির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।
10
10
দীর্ঘদিন ধরে ঘুমের সমস্যা হলে শুধুমাত্র শোওয়ার দিক বদলানোর উপর নির্ভর না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।