রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস)-এর প্রধান মোহন ভাগবত একজন পশুচিকিৎসক। তাঁর শিক্ষাজীবন শুরু হয়েছিল মহারাষ্ট্রের চন্দ্রপুরের লোকমান্য তিলক বিদ্যালয় থেকে। পরবর্তীতে তিনি নাগপুরের সরকারি ভেটেরিনারি কলেজে ভর্তি হন। সেখান থেকে তিনি 'ব্যাচেলর অফ ভেটেরিনারি সায়েন্স অ্যান্ড অ্যানিমেল হাসব্যান্ড্রি' ডিগ্রি অর্জন করেন।
2
8
তবে, পশুচিকিৎসা পেশায় ক্যারিয়ার গড়ার পরিবর্তে ভাগবত জনসেবার পথ বেছে নেন। শেষ পর্যন্ত আরএসএস-এর ষষ্ঠ 'সরসংঘচালক' (প্রধান) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
3
8
১৯৫০ সালের ১১ সেপ্টেম্বর চন্দ্রপুরে জন্মগ্রহণকারী ভাগবত লোকমান্য তিলক বিদ্যালয় থেকে তাঁর স্কুলজীবন শেষ করেন। পরবর্তীতে তিনি চন্দ্রপুরের জনতা কলেজে ভর্তি হন। সেখানে 'ব্যাচেলর অফ সায়েন্স' কোর্সের প্রথম বর্ষ শেষ করার পর পশুচিকিৎসা বিষয়ক পড়াশোনা শুরু করেন।
4
8
এরপর ভাগবত নাগপুরের সরকারি ভেটেরিনারি কলেজে যোগ দেন। সেখানে ভেটেরিনারি ডিগ্রি সম্পন্ন করে একজন পশুচিকিৎসক হিসেবে যোগ্যতা অর্জন করেন।
5
8
পরবর্তীতে তিনি আকোলার একটি কলেজে পশুচিকিৎসা বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর কোর্সে ভর্তি হন। তবে, ১৯৭৫ সালে দেশে জরুরি অবস্থা চলাকালীন তিনি পড়াশোনা ছেড়ে আরএসএস-এর পূর্ণকালীন 'প্রচারক' (কর্মী) হিসেবে কাজ শুরু করেন।
6
8
পরবর্তী তিন দশক ধরে ভাগবত আরএসএস-এর মধ্যে জেলা, রাজ্য ও জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৯ সালের মার্চ মাসে কে. এস. সুদর্শন-এর স্থলাভিষিক্ত হয়ে তিনি সংগঠনের ষষ্ঠ সরসংঘচালক হন এবং এখনও সেই পদে বহাল রয়েছেন।
7
8
যদিও ভাগবত কখনওই পশুচিকিৎসক হিসেবে পেশাগত অনুশীলন করেননি। তবুও এই বিষয়টির সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ রয়েছে। ২০১৭ সালে মহারাষ্ট্র অ্যানিমেল অ্যান্ড ফিশারি সায়েন্সেস ইউনিভার্সিটি তাঁকে সম্মানসূচক 'ডক্টর অফ সায়েন্স' ডিগ্রি দেয়। বিশ্ববিদ্যালয়টি জানায় যে, পশুচিকিৎসা বিজ্ঞান, দেশীয় গবাদি পশুর জাত সংরক্ষণ, জৈব কৃষির প্রসার এবং সমাজসেবামূলক কাজে তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।
8
8
বর্তমানে মোহন ভাগবত দেশের অন্যতম প্রভাবশালী আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক নেতা।