ঝড়-বৃষ্টির দাপটে শহরে এখনও পর্যন্ত মোট ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সবথেকে বড় দুর্ঘটনাটি ঘটে বাউরিং অ্যান্ড লেডি কার্জন হাসপাতালে। সেখানে বৃষ্টির জেরে হাসপাতালের পুরনো পাঁচিল ভেঙে পড়ে এক শিশুসহ সাতজনের মৃত্যু হয়।
3
10
বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এবং বাড়ির ছাদ ভেঙে আরও তিনজনের প্রাণ গিয়েছে। মৃতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ও শহরের বিপজ্জনক কাঠামো মেরামতির দাবি জানিয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে।
4
10
বৃষ্টির দাপট থেকে রেহাই পায়নি খোদ সরকারি দপ্তরও। কর্নাটক বিধানসভার মূল ভবন 'বিধান সৌধ'-এর করিডোরে জল ঢুকে পড়ে। এমনকী বিরোধী দলনেতা আর অশোকের ঘরেও বৃষ্টির জল থইথই করতে দেখা যায়। রিচমন্ড টাউন ও শান্তিনগরের মতো নিচু এলাকায় কোথাও কোথাও কোমর সমান জল।
শহরের অন্তত ৫০টি জায়গায় বড় বড় গাছ ও ডালপালা ভেঙে পড়ে পথ আটকে যায়। মাল্লেশ্বরম ও শেষাদ্রিপুরমের মতো এলাকায় পরিস্থিতি ছিল সবথেকে ভয়াবহ।
7
10
জল নামাতে পাম্প ব্যবহার করা হয়। রাস্তা পরিষ্কার করতে দমকল ও পুলিশ রাতভর কাজ করে।
8
10
জানা গিয়েছে, দুর্যোগের জেরে বিখ্যাত বইয়ের দোকান 'দ্য বুকওয়ার্ম'-এর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। চার্চ স্ট্রিটের এই দোকানে জল ঢুকে প্রায় ৫ হাজার বই নষ্ট হয়ে গিয়েছে।
9
10
সমাজমাধ্যমে জলে ভাসা বইয়ের ছবি দেখে শোকাতুর হয়ে পড়েছেন শহরের পাঠকরা। অনেকেই এই ঐতিহ্যবাহী দোকানটিকে বাঁচাতে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন৷
10
10
তীব্র দাবদাহের পর এই বৃষ্টি স্বস্তি এনেছে ঠিকই। পাশাপাশি দুর্যোগের জেরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে শহরজুড়ে৷