শীতকাল এলেই তার প্রভাব সবচেয়ে আগে পড়ে ঠোঁটে। ঠান্ডা হাওয়া আর বাতাসে আর্দ্রতার ঘাটতির কারণে ঠোঁট শুষ্ক, ফেটে যাওয়া কিংবা কালচে হয়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। অনেকেই দামি লিপ বাম বা ক্রিম ব্যবহার করেন, কিন্তু সামান্য যত্ন আর ঘরোয়া উপায়ে খুব সহজেই ঠোঁটকে আবার নরম ও গোলাপি করে তোলা সম্ভব। শীতে ঠোঁটের যত্নে রইল কার্যকর ও সহজ কিছু উপায়।
2
8
শীতকালে ঠোঁট শুকিয়ে যাওয়া খুবই স্বাভাবিক। তাই দিনে কয়েকবার লিপ বাম বা নারকেল তেল লাগানো উপকারী। রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে ঠোঁটে অল্প দেশি ঘি বা মধু লাগালে সকালে ঠোঁট অনেকটাই নরম ও মসৃণ লাগে।
3
8
যেমন মুখে স্ক্রাব করা জরুরি, তেমনই ঠোঁটের হালকা এক্সফোলিয়েশনও প্রয়োজন। সপ্তাহে দু’দিন চিনি ও মধু মিশিয়ে খুব আলতোভাবে ঠোঁটে ঘষুন। এতে মৃত চামড়া উঠে যায় এবং ধীরে ধীরে ঠোঁটের স্বাভাবিক গোলাপি রং ফিরতে শুরু করে।
4
8
শীতে জল পিপাসা কম পেলেও শরীরে জলের ঘাটতি ঠোঁটকে আরও শুষ্ক করে তোলে। সারা দিনে পর্যাপ্ত জল পান করলে ঠোঁট ভিতর থেকে সুস্থ থাকে এবং ফাটার সমস্যাও কমে।
5
8
ঠোঁট শুকোলেই অনেকের অভ্যাস বারবার চাটার। কিন্তু এতে উল্টো ক্ষতি হয়। লালার উপাদান ঠোঁটের স্বাভাবিক আর্দ্রতা কেড়ে নেয়, ফলে ঠোঁট আরও বেশি শুষ্ক হয়ে পড়ে। তাই এই অভ্যাস এড়িয়ে চলাই ভাল।
6
8
বিটের রস বা গোলাপের পাপড়ির পেস্ট ঠোঁটে লাগালে রং উজ্জ্বল হয়। প্রতিদিন কয়েক মিনিট ব্যবহার করলে ঠোঁটের প্রাকৃতিক গোলাপি আভা ধীরে ধীরে ফিরে আসে।
7
8
ভিটামিনের ঘাটতির কারণেও ঠোঁট কালচে হয়ে যেতে পারে। সবুজ শাকসবজি, ফল ও ড্রাই ফ্রুটস খেলে ঠোঁটের পাশাপাশি পুরো ত্বকেই উজ্জ্বলতা আসে। পাশাপাশি ধূমপান এড়িয়ে চলা জরুরি, কারণ নিয়মিত সিগারেট খেলে ঠোঁট কালো হয়ে যেতে পারে।
8
8
শীতে রোদ নরম মনে হলেও তার ইউভি রশ্মি ঠোঁটের ক্ষতি করতে পারে। এতে ঠোঁট কালো হয়ে যাওয়া এবং স্বাভাবিক গোলাপি রং নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই বাইরে বেরনোর আগে এসপিএফ যুক্ত লিপ বাম ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি। দিনে দু’তিনবার লিপ বাম পুনরায় লাগালে ঠোঁট দীর্ঘ সময় নরম ও সুরক্ষিত থাকে।