ক্রমশ সময়ের সঙ্গে বাড়ছে ইউপিআই-এর ব্যবহার। খানিকটা হলেও এটিএমের ব্যবহার কমে গিয়েছে। তবে নগদ টাকার জন্য এখনও এটিএমই অন্যতম ভরসা।
2
10
এটিএম থেকে টাকা তোলার সময় নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন যে শুধু ৫০০, ২০০ এবং ১০০ টাকার নোটই বের হয়। কেন ১০, ২০ এবং ৫০ টাকা পাওয়া যায় না? কম টাকার নোট কি বাজারে নেই? সম্প্রতি এবিষয়ে উত্তর দিয়েছে সরকার।
3
10
দেশের বাজারে ১০, ২০ এবং ৫০ টাকার নোটের ঘাটতি নেই, রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য দিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থ প্রতিমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরী।
4
10
সংসদে তিনি বলেন যে কম মূল্যের নোট বিতরণকারীদের মাধ্যমে কম মূল্যের নোট বিতরণের জন্য একটি পাইলট প্রকল্প চালু করা হয়েছে। নোট এবং কয়েনের মিশ্রণের মাধ্যমে কম মূল্যের মুদ্রার চাহিদা পূরণ করা হয়। ডিজিটাল পেমেন্টও লেনদেনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।
5
10
কেন এটিএমে ছোট নোট কম? আসলে বর্তমানে যে এটিএম রয়েছে তা মূলত বড় নোট দেওয়ার জন্য তৈরি। বর্তমানে প্রায় সব এটিএম-এ থাকে ১০০, ২০০, ৫০০ টাকা নোট।
6
10
ছোট নোট দিয়ে এটিএম চালানো প্রযুক্তিগতভাবে জটিল এবং বেশি রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন। তাই ব্যাঙ্কগুলো এটিএমে ছোট নোট রাখে না।
7
10
আরবিআই নিয়মিতভাবে ১০, ২০, ৫০ টাকার নোট বাজারে সরবরাহ করছে। অর্থাৎ এটিএমে না পাওয়া মানে দেশের নোট শেষ হয়ে গিয়েছে, তা নয়। সাধারণ দোকান, বাজার বা ব্যাঙ্কের ব্রাঞ্চে এই নোট সহজে পাওয়া যায়।
8
10
সরকার এবং আরবিআই হাইব্রিড এটিএম চালুর পরিকল্পনা করছে। এই নতুন এটিএম থেকে সহজে পাওয়া যাবে ১০, ২০, ৫০ টাকার নোট।
9
10
নতুন এই এটিএম তৈরির কাজ চলছে। দ্রুত এটি অনুমোদন হলেই বাজারে চলে আসবে। সেদিক থেকে খুচরো সমস্যা বাজার থেকে অনেকটা কমবে বলেই মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে বাজার, হাসপাতাল, স্কুল বা রেলস্টেশন-এ যেখানে ছোট লেনদেন বেশি হয়, সেখানে এটি খুব কাজে আসবে।
10
10
দেশের মানুষের হাতে যাতে পর্যাপ্ত খুচরো থাকে সেদিকে জোর দিতেই এই ব্যবস্থা গ্রহণের কথা ভাবছে কেন্দ্রীয় সরকার। তবে কবে থেকে এটি কার্যকর করা হবে সেটি জানা যায়নি।